আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আখুন্দজাদা নি/হ/ত

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী পরিচালিত ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ অভিযানে হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা নিহত হয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা থিঙ্কট্যাংক সংস্থা ওসিন্ট-এর ইউরোপ শাখা শুক্রবার ভোর ৬:০৩ মিনিটে জানায়। ওসিন্ট ইউরোপের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি বিমান হামলায় কাবুলে ইসলামিক এমিরেত অব আফগানিস্তান-এর সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা কয়েকজন শীর্ষ তালেবান কমান্ডার-সহ নিহত হয়েছেন।
তালেবান ২০২১ সালে মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনী আফগানিস্তান ত্যাগের পর দ্বিতীয়বার ক্ষমতা দখল করে সরকার গঠন করে। বাহিনী মূলত হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত হয়।
গত ২১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বিমানবাহিনী আফগানিস্তানের নানগারহার ও পাকতিয়া প্রদেশে তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-কে নির্মূল করার উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বিমান অভিযান চালায়। অভিযানে দুই প্রদেশে ৮০-এর বেশি মানুষ নিহত হন।
এরপর পাকিস্তানি বিমান হামলার ‘বদলা’ নিতে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে আফগান সেনারা ডুরান্ড লাইন এলাকায় পাক সেনাচৌকিগুলোতে হামলা চালায়। আফগান সেনাপ্রধান ফাসিহুদ্দিন ফিৎরাত-এর নির্দেশে রাত ১২টা পর্যন্ত অভিযান চলে। হামলায় কয়েকজন পাকিস্তানি সেনা নিহত এবং কয়েকজনকে বন্দি করে নেওয়া হয়।
ডুরান্ড লাইনে হামলার সময় তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছিলেন, “আমাদের সেনারা নাইট ভিশন ও লেজার নিয়ন্ত্রিত অস্ত্র ব্যবহার করেছে। এবার পাকিস্তানি সেনাদের কঠোর জবাব দেওয়া হবে।”
এর মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টা পর রাত ৩:৪৫ মিনিটে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরু করে। অভিযান শুরুর পর পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ এক্সে পোস্ট করে বলেন, “আমাদের ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে গেছে। এবার আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। আমরা আপনার প্রতিবেশী; আপনাদের গতিপ্রকৃতি আমরা ভালোভাবে জানি।”



