যু/দ্ধ বন্ধ ও ইরানি হা/ম/লা প্রতিহতে সহায়তা চাইছে কাতার-আমিরাত

দ্রুত যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর ওপর চাপ প্রয়োগে অন্যান্য দেশের সহযোগিতা চেয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার। বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম Bloomberg।
প্রতিবেদনে বলা হয়, উপসাগরীয় এ দুই ঘনিষ্ঠ মার্কিন মিত্র উদ্বিগ্ন যে সংঘাত দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে, যার প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যেতে পারে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর পাল্টা আক্রমণে আমিরাত ও কাতারের সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি স্থাপনা ও বিমানবন্দর লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছে দেশ দুটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমিরাত মধ্যম-পাল্লার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সহায়তা হিসেবে চাইছে। অন্যদিকে কাতার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, তাদের মার্কিন নির্মিত Patriot missile system-এর মজুত আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ফুরিয়ে যেতে পারে। ফলে ড্রোন হামলা মোকাবিলায় তারা বিকল্প সহায়তা খুঁজছে।
কাতারের এক কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, জ্বালানি পরিবহণের সামুদ্রিক পথ সপ্তাহের মাঝামাঝি পর্যন্ত ব্যাহত থাকলে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)–এর দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।
সব মিলিয়ে, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তাই নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও সরবরাহ ব্যবস্থাও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।



