বাংলাদেশঅপরাধ

গাজীপুরে ৫ হত্যা: ‘ফোরকান বলেছিল, কাউকে জীবিত রাখবে না’

বাংলা টিভি ডেস্ক: গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহের তীর গৃহকর্তা ফোরকানের দিকে। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।

শনিবার ভোরে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা পূর্বপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে ফোরকানের স্ত্রী শারমিন, তাদের তিন সন্তান এবং শ্যালক রসুল মোল্লার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত শারমিনের ভাই শাহীন মোল্লা জানান, ফোরকানের সঙ্গে তার বোনের দাম্পত্য সম্পর্ক ভালো ছিল না। প্রায় এক বছর আগে শারমিন অসুস্থ হলে তাকে বাবার বাড়িতে এনে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সে সময় ফোরকান নাকি স্ত্রীসহ পরিবারের সবাইকে হত্যার হুমকিও দিয়েছিলেন।

পরবর্তীতে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে চলতি বছরের জানুয়ারিতে কাপাসিয়ার রাউতকোনা এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বসবাস শুরু করেন ফোরকান।

শাহীন মোল্লা আরও জানান, শুক্রবার সকালে ফোরকান তার ছোট ভাই রসুল মোল্লাকে ফোন করে চাকরি দেওয়ার কথা বলে কাপাসিয়ার বাসায় ডেকে নেন। সন্ধ্যায় রসুল সেখানে যান। পরে গভীর রাতে ফোরকান তার এক আত্মীয়কে ফোন করে বলেন, “সবাই মারা গেছে, কাউকে বাঁচিয়ে রাখিনি।”

পরিবারের দাবি, ফোরকান আগে থেকেই বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং তার পাসপোর্টও করা ছিল। তাদের আশঙ্কা, হত্যাকাণ্ডের পর তিনি দেশ ছাড়ার চেষ্টা করতে পারেন।

ঘটনার কারণ এখনও স্পষ্ট না হলেও পুলিশ পলাতক ফোরকানকে আটকের চেষ্টা চালাচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button