আমরা কারিকুলাম ও সিলেবাস চেঞ্জ করার ব্যবস্থা করছি: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলা টিভি ডেস্ক: শুধু জিপিএ-৫ নির্ভর প্রথাগত শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা জরুরি।
শনিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত ‘চায়না-বাংলাদেশ এডুকেশন সহযোগিতা ফোরাম-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কারিকুলাম ও সিলেবাস পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে। তার মতে, দেশের শিল্পখাত ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের অভাব রয়েছে, যা দূর করা প্রয়োজন।
ড. মিলন বলেন, শুধু পরীক্ষাভিত্তিক শিক্ষা নয়, প্রতিদিনের পাঠদান ও কার্যকর মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
চীনে উচ্চশিক্ষার সুযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশটির শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নত এবং তুলনামূলকভাবে ব্যয় কম। বর্তমানে প্রায় ১৬ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সেখানে পড়াশোনা করছেন।
বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেছে বলেও জানান তিনি। বিশেষ করে চীনা ভাষা শেখার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার ও উচ্চশিক্ষার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মন্তব্য করেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে পাঠ্যক্রম ও একাডেমিক ক্যালেন্ডারে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। পাশাপাশি চীনের সঙ্গে যৌথ শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনসহ শিক্ষা খাতের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ এবং দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।



