দেশবাংলা

ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে

সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।  আগামী দু’একদিনের মধ্যে তার শরীরের কৃত্রিম যন্ত্রগুলোও খুলে ফেলা হতে পারে।  মাউন্ট এলিজাবেথের চিকিৎসকদের ব্রিফিংয়ের বরাত দিয়ে, আজ এ তথ্য জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে থাকা চিকিৎসক আবু নাসের রিজভী।  পাশাপাশি, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে চিকিৎসকরা ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারির সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে জানান মন্ত্রীর স্ত্রী বেগম ইসরাতুন্নেসা কাদের।

সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওবায়দুল কাদেরের আপাতত কিডনি ডায়ালাইসিস লাগবে না বলে জানিয়েছেন তার ।  হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলার পর এ তথ্য জানান তিনি।

সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে বলে জানিয়েছেন মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের চিকিৎসকরা। আগামী দুই এক দিনের মধ্যে তার শরীরের কৃত্রিম যন্ত্রগুলো খুলে ফেলা হতে পারে।বুধবার (০৬ মার্চ) চিকিৎসকদের ব্রিফিংয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে থাকা চিকিৎসক আবু নাসার রিজভী।তিনি জানান, ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে। তিনি এখন বেশ ভালো আছেন। এভাবে অগ্রগতি হলে আগামী দুই এক দিনের মধ্যে তার শরীরে স্থাপিত কৃত্রিম যন্ত্রগুলো খুলে ফেলার চিন্তা করছেন চিকিৎসকরা।এর আগে ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার সবশেষ অবস্থা নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতালে ব্রিফিং করেন ডা. ফিলিপ কোহের নেতৃত্বাধীন মেডিকেল বোর্ড। ডা. ফিলিপের বক্তব্যের আলোকে এলিজাবেথ হাসপাতালে ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার আপডেট জানান বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ডা. আবু নাসার রিজভী।তিনি বলেন, কিডনিতে কিছুটা সমস্যা রয়েছে। এই ইনফেকশন ওভারকাম করলেই বাইপাসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা নিয়ে গত রোববার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি হন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সোমবার বিকালে সেখান থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ডা. ফিলিপ কোহের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

বাংলাটিভি/প্রিন্স

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button