Uncategorizedবাংলাদেশ

মায়ের বাসায় চালের ড্রামে ৩৪ হাজার ইয়াবা, মা-ছেলে গ্রেপ্তার

বাংলা টিভি ডেস্ক: রাজধানীর ভাটারা এলাকায় একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ৩৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় মাদক মজুত ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মালা বেগম (৬২) ও তার ছেলে মামুন চোকদারকে (৩৬) গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক অবৈধ বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ২ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে ভাটারা থানার ছোলমাইদ ঢালিবাড়ী কাঁচাবাজারের পাশে অবস্থিত একটি পাঁচতলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বুধবার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাসান মারুফের নির্দেশনায় এবং উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে অভিযানটি পরিচালিত হয়। পরিদর্শক মো. ফজলুল হক খানের নেতৃত্বে অধিদপ্তরের সদস্যদের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর পুলিশের দুই সদস্য এতে অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে নিরপেক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ফ্ল্যাটটিতে তল্লাশি চালানো হয়। একপর্যায়ে পশ্চিম পাশের একটি কক্ষে রাখা চালের ড্রামের ভেতর থেকে কফি রঙের কাপড়ের ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগটি খুলে কাগজ ও স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো ১৭টি প্যাকেটে থাকা ইয়াবা পাওয়া যায়। উদ্ধার করা মাদকের মোট ওজন ৩ দশমিক ৪০ কেজি।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে মালা বেগম ও তার ছেলে মামুন চোকদারকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় সাহিদা বেগম ইতি (৪৮) নামের আরেক নারীকে আসামি করা হয়েছে। তবে অভিযানকালে তিনি সেখানে উপস্থিত না থাকায় তাকে গ্রেফতার করা যায়নি।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গ্রেফতার মা-ছেলেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা ইয়াবার মালিক হিসেবে সাহিদা বেগম ইতির নাম উঠে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে মালা বেগমের বাসায় মজুত রাখতেন। পরে সেখান থেকে গাজীপুরের কোনাবাড়ী, সাইনবোর্ড এবং টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদক সরবরাহ করা হতো।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় গ্রেফতার দুজন ও পলাতক আসামির বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় মামলা করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও পরিচালনা করা হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button