ডিপ্লমেটিক ইমিউনিটি দাবি করলেও আমলে নেয়নি কুয়েত কর্তৃপক্ষ

মানব পাচারের অভিযোগে কুয়েতে লক্ষীপুর-২ আসনের এমপি কাজী শহীদ ইসলাম পাপুলকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস, কুয়েত। গত শনিবার কুয়েতের অপরাধ তদন্ত বিভাগের সদস্যরা মুশরেফ আবাসিক এলাকা থেকে পাপুল নামের ঐ সংসদ সদস্যকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে মানব পাচার ও অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে।
কুয়েতের বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, দেশটিতে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে মানব পাচার ও অর্থ পাচারের অভিযোগে ১০০ জনেরও বেশি ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের গ্রেফতার করেছে সরকারের গোয়েন্দা বিভাগ। কুয়েতের মারাফি কুয়েতিয়া কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কাজী পাপলুর নাম এই তালিকায় সবার শীর্ষে ছিল। গত মার্চের শেষ দিক থেকে কুয়েতেই অবস্থান করছিলেন তিনি।
অপরাধ তদন্ত বিভাগের সদস্যরা অভিযুক্ত পাপুলকে পাবলিক প্রসিকিউটরের কাছে হস্তান্তর করেছে। পাবলিক প্রসিকিউটর এ ব্যাপারে অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদের পরে আটক রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। কাজী পাপলু নিজেকে বাংলাদেশের সংসদ সদস্য হিসেবে ডিপ্লমেটিক ইমিউনিটি দাবি করলেও কুয়েত কর্তৃপক্ষ এই দাবি আমলে নেয়নি।
অন্য আরেকটি সূত্রে জানা গেছে, এমপি কাজী শহীদ ইসলাম পাপুলের মালিকানাধীন কোম্পানীর আরো একাধিক ব্যক্তিকে আটক করেছে কুয়েতের আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী। কুয়েতে বাংলাদেশের সাংসদকে গ্রেফতারের বিষয়ে বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নুরুজ্জামান জানান, বিষয়টি তারা অবহিত নন।



