দেশের বিভিন্নস্থানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে দেশের বিভিন্নস্থানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। গত ১২ ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বেড়ে বিপদসীমার ৮২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে ও ঘাঘট নদীর পানি গাইবান্ধা ব্রীজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৫৪ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
অপরদিকে তিস্তা, যমুনা, কাটাখালি ও করোতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যহত থাকায় তলিয়ে গেছে বাড়িঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,ফসলি জমি। গত ২৪ঘন্টায় বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে যমুনার পানি ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৮৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। জামালপুরের ৩৮টি ইউনিয়ন ও ৫টি পৌরসভার আড়াই লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৭১ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার ও ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে বিপদসীমার ৬১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দুর্ভোগ বেড়েছে জেলার ৩৫ ইউনিয়নের প্রায় দেড় লক্ষাধিক মানুষের।
সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ অভ্যন্তরে বাড়িঘরে পানি ঢুকছে এবং চরাঞ্চলের নতুন নতুন জায়গা প্লাবিত হয়েছে। কুড়িগ্রামের রৌমারী-রাডিজবপুর উপজেলায় কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ধনারচর, ফইজদারী ও দাঁতভাঙ্গা বেড়ীবাঁধের পশ্চিমাংশ প্লাবিত হয়েছে।ব্রহ্মপুত্রের পুর্বপারে শহর রক্ষা বাঁধ না থাকায়,প্রতিবছর বর্ষায় স্থানীয়দের দূর্ভোগ বেড়ে যায়।



