
লঞ্চ দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটন ও দায়ীদের শনাক্ত করে সাতদিনের মধ্যেই প্রতিবেদন দেবে তদন্ত কমিটি। এ লক্ষ্যে বেঁচে ফেরা যাত্রী ও সংশ্লিষ্টদের সাক্ষ্য নেয়া হচ্ছে। দুই লঞ্চের চালককে পাওয়া গেলে আরো তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা।
দ্বিতীয় দিনের মতো প্রতক্ষ্যদর্শীদের সাক্ষ্য নেয়ার কথা ছিলো তদন্ত কমিটির। যদিও প্রতক্ষদর্শী কেউই সাক্ষ্য দিতে আসেনি। তবে, দ্রুত তদন্ত শেষ করার কথা জানিয়েছেন নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রফিকুল ইসলাম খান। দায়ীদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হলেও বুধবার আবারো বাবুবাজার দ্বিতীয় সেতু থেকে পোস্তগোলা চীন মৈত্রী সেতু পর্যন্ত মরদেহের সন্ধানে তল্লাশি চালায় নৌ ফায়ার সার্ভিস। তবে, কোনো মরদেহ খুঁজে পায়নি তারা। দেখা মেলেনি নিখোঁজদের সন্ধান করা কোনো স্বজনদেরও। আসেনি নিহতদের স্বজনের কেউই।
এদিকে, উদ্ধার হওয়া লঞ্চটিকে সার্বক্ষণিক দেখাশোনার জন্য রাখা হয়েছে ঢাকা জেলা পুলিশের একটি টিম। সোমবার, সদরঘাটে ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কায় অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে মর্নিং বার্ড নামের লঞ্চটি ডুবে যায়। পরে গতকাল পর্যন্ত ৩৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।



