অন্যান্যবাংলাদেশ

করোনা সংকটে কমেছে সিজারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব

রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে লক্ষ্যণীয়ভাবে কমে গেছে সিজার ডেলিভারির মাধ্যমে সন্তান জন্মদানের সংখ্যা। বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনা মহামারির কারণে প্রসূতিরা হাসপাতালে যেতে ভয় পাওয়ায়, এমনটি হয়েছে। তবে কারণ যা-ই হোক, অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধ তথা স্বাভাবিক সন্তান প্রসবের এই ধারা অব্যাহত রাখতে, সরকারকে নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

সন্তান জন্মদানের একটি আধুনিক পদ্ধতি সিজারিয়ান ডেলিভারি। সাধারণত: প্রসূতির শারীরিক জটিলতার ক্ষেত্রে মা ও সন্তানের নিরাপত্তার স্বার্থে সিজারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা।  তবে কতিপয় অসৎ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক মানসিকতার কারণে, দিন দিনই বেড়ে চলছিল এই সিজার অপারেশনের সংস্কৃতি।

মা ও সন্তানের শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় বিশ্বব্যাপী ১০ থেকে ১৫ শতাংশ প্রসব সিজারিয়ান বা সি-সেকশনে করানোর সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা৷ কিন্তু বাংলাদেশে এর হার ৫১ শতাংশ৷ তবে সাম্প্রতিক করোনা মহামারির কারণে এটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে গেছে।

একটি বেসরকারি ক্লিনিকের উদ্যোক্তা ডাক্তার আবু সালেহ মোহাম্মাদ ইমরান এ প্রসঙ্গে জানান, করোনার ভয়ে প্রসূতিদেরকে নিজ বাড়িতে স্বাভাবিক প্রসবের ব্যবস্থা করায় কমে গেছে সিজারিয়ান ডেলিভারি।

অন্য সময়ের তুলনায় এখন কম সিজার হচ্ছে- উল্লেখ ক’রে, সরকারের প্রতি এই ধারা অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নেয়ার আহবান জানিয়েছেন হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালের গাইনী বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডাক্তার শাহিন আরা রহমান। অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে প্রসূতি ও স্বজনদের সচেতনতাও জরুরি বলে মত দেন তিনি।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button