
খোঁজ মিলছে না রিজেন্ট হাসপাতালকে দেয়া প্রায় অর্ধকোটি টাকা মুল্যের দুটি সরকারি ডায়ালাইসিস ইউনিটের। জানা গেছে, রিজেন্ট হাসপাতালকে এসব যন্ত্রপাতি বিনামুল্যে সরবরাহ করেছে কেন্দ্রীয় ওষুধাগার, যা কোন চুক্তিতে স্পষ্ট করা হয়নি। ফলে প্রশ্ন উঠেছে কোন ক্ষমতাবলে, রিজেন্টের মত হাসপাতালে কোটি টাকা মুল্যের এসব চিকিৎসা যন্ত্রপাতি পেয়েছে তাও আবার বিনামুল্যে ?
রিজেন্ট সাহেদের ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে বাদ যায়নি দেশের স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট কোনো খাতই। সম্প্রতি একটি নথিতে দেখা যায়, রিজেন্ট হাসপাতালের সাথে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্পষ্ট কোন চুক্তি ছাড়াই সেখানে প্রায় দেড় কোটি টাকার যন্ত্রপাতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ঔষাধাগার।
এসবের মধ্যে রয়েছে ২টি ডায়ালাইসিস মেশিন, একটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, ২টি আইসিইউ ভেন্টিলেটর ও দুটি ডায়ালাইসিস বেড। আবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠির এই অনুলিপি দেয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেও।
আবার হাসপাতাল বন্ধ ঘোষণার পর এসব যন্ত্রপাতিগুলো অতিসত্তর ফেরত চান তারা। এখন প্রশ্ন উঠেছে, বেসরকারি হাসপাতালে সরকারি যন্ত্রপাতি দেয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে। এদিকে, র্যাবের অভিযানে মালামালের যে তালিকা করা হয়, সেখানে রিজেন্টের দুই হাসপাতালের কোনোটিতেই প্রায় অর্ধকোটি টাকা মুল্যের দুটি সরকারি ডায়ালাইসিস ইউনিট খুঁজে পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, কোন স্বচ্ছ চুক্তি ছাড়া রিজেন্ট হাসপাতালে যন্ত্রপাতি সরবরাহের বিষয়ে জানতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বা আইইডিসিআর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করলে কেউ কথা বলতে রাজি হননি।
এছাড়া, এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ওষধাগারের পরিচালক কথা বলবেন বলে, অপেক্ষায় রেখে কিছুক্ষণ পরেই গাড়ি নিয়ে বের হয়ে যান নিজ দপ্তর থেকে। ফোনেও কথা বলতে রাজি হননি তিনি।
শাহরিয়ার রাজ, বাংলা টিভি



