অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে

অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ । উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রায় সবগুলো সূচকেই দেশটির অবস্থান একেবারে শুরুর দিকেই।
অভিবাসন প্রত্যাশীদের কাছেও সবচেয়ে পছন্দের দেশের নাম অস্ট্রেলিয়া। এর মূল কারণ শান্তি-শৃঙ্খলা, সামাজিক নিরাপত্তা, পরিবেশ, চাকরি, খরচ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা ও চিকিৎসার মানের দিক দিয়ে দেশটি সবসময়ই সেরা।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জরিপেও দেখা গেছে, সারা বিশ্বের মানুষদের কাছে বসবাস ও কাজের জন্য অস্ট্রেলিয়ার শহরগুলো সবচেয়ে বেশি প্রিয়।
তবে একটি দিকে এখনও পিছিয়ে রয়েছে দেশটি। সেটি হলো জাতীয় রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ।
তাই বেশ ক’বছর ধরেই অস্ট্রেলিয়ার মূলধারার রাজনীতিতে আগ্রহ বাড়ছে প্রবাসী বাংলাদেশী নারীদের। আহামরি না হলেও ধীরে ধীরে বাড়ছে এ সংখ্যা। দুই প্রধান দলের মধ্যে লেবার পার্টিকেই পছন্দের শীর্ষে রাখছেন প্রবাসী বাংলাদেশী নারীরা।
নিজ যোগ্যতায় অনেকেই জায়গা করে নিয়েছেন দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে। এরইমধ্যে অনেকেই অংশ নিয়েছেন জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে।
তবে ‘অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় রাজনীতিতে নারী সংখ্যা ফিফটি- ফিফটি’ হওয়া উচিত বলে মনে করেন দেশটির মুলধারার রাজনীতিতে সক্রিয় প্রবাসী বাংলাদেশী রাজনীতিবিদরা।
সে কারণেই অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় রাজনীতিতে নারীদের সংখ্যা আরও বাড়ানো উচিত বলে মত দিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশী নারী রাজনীতিবিদেরা।
অস্ট্রেলিয়ার মূলধারার রাজনীতিতে সক্রিয় এমন দু’জন প্রবাসী বাংলাদেশী নারী বলেছেন,
অস্ট্রেলিয়া সারা পৃথিবীতে যে সম্মানের আসনে বসে আছে সেটিকে পূর্ণতা দিতেই দেশটির রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো দরকার।
তাদেরই একজন সিডনী প্রবাসী এনএসডাব্লিউ লেবার পার্টির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সাবরিন ফারুকি উশ্রি। তার মত,অস্ট্রেলিয়ায় রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ অন্তত ৫০ ভাগ হওয়া উচিত।
||রনক হাসান, বাংলা টিভি||



