দুর্ভোগে দিন কাটছে বানভাসিদের

দেশজুড়ে বন্যায় লাখো মানুষ দুর্ভোগের মধ্যে দিন পার করছেন। প্লাবিত অনেক এলাকা সড়ক ডুবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট।
ক্রমান্বয়ে অবনতির দিকে যাচ্ছে কুড়িগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি। টানা একমাস ধরে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় প্রায় ৪ লক্ষাধিক চরবাসীর দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তার অভাবে দিন কাটাচ্ছে তারা।
সিরাজগঞ্জে যমুনা ও অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। সিরাজগঞ্জ হার্ডপয়েন্টে বিপদসীমার ৮৬ এবং কাজিপুরে ৯০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। টানা বর্ষণে পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
মানিকগঞ্জে গত ২৪ ঘন্টায় যমুনা পয়েন্টের পানি বিপদসীমার ৫১ ও কালীগঙ্গার পানি বিপদসীমার ৯৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার ৭টি উপজেলায় পানি বন্দী হয়ে পড়েছে ৩১ হাজার পরিবার। গাজীপুরের তুরাগ, বংশী ও ঘাটাখালী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কালিয়াকর উপজেলার নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে।
সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন দেওয়াইর, বাঙ্গুরী, টালাবহ এলাকাবাসী। এছাড়া রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর, মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুরসহ মধ্যাঞ্চলে পদ্মার পানি বেড়ে প্লাবিত হয়েছে অনেক এলাকা। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বসতঘর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।



