অন্যান্যবাংলাদেশ

১০ বছরে প্রায় অর্ধেকে নেমেছে অতিদরিদ্রের সংখ্যা

সামাজিক খাতে সরকারের নানা পরিকল্পনা ও কর্মসূচির কারণে গেল ১০ বছরে দেশে অতিদারিদ্র্য কমার ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যা ব্যুরো’র হিসেব অনুযায়ী দেশে হতদরিদ্র ব্যক্তির সংখ্যা ১ কোটি ৬০ লাখে নেমে এসেছে। যা ২০১০ সালেও ছিল ২ কোটি ৫৮ লাখ। সরকারি তথ্য অনুযায়ী দেশে দারিদ্র্যের হার ও দরিদ্র লোকের সংখ্যা কমার পাশাপাশি, লক্ষণীয়ভাবে কমেছে দারিদ্র্যের তীব্রতাও।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপরই গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে সঙ্ঘবদ্ধ করে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর দুরদর্শী উপলব্ধি ছিল, কৃষিপ্রধান এ দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার ভিত্তিও কৃষিই। আর তাই, দারিদ্র বিমোচন ও পল্লী উন্নয়নের একমাত্র নিয়ামক হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছিলেন কৃষিকেই।

১৯৭৩-৭৪ অর্থবছরে দেশের ৪৮ শতাংশ- অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক মানুষই ছিল হতদরিদ্র। আর দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করত সাড়ে ৮২ শতাংশ মানুষ। ২০০৯ সালের পর গত ১০ বছরে প্রায় ১ কোটি হতদরিদ্র মানুষ তাদের অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়েছে। সরকারি তথ্য–উপাত্ত বলছে, ২০১০ সালে দেশে হতদরিদ্র ব্যক্তির সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৫৮ লাখ। ২০১৯ সালের জুনে এ সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম জানালেন, বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া দিক-নির্দেশনা ও শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের ফলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। তবে, করোনা মহামারীর কারণে দেশের অগ্রযাত্রা কিছুটা বাধাগ্রস্ত হলেও পরিস্থিতি বুঝে সরকার পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।

দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যে গতিতে এগুচ্ছে, তা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালে দেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে কোনো মানুষ থাকবে না বলেও মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আসাদ রিয়েল, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button