দেশবাংলা

বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় বাড়ছে পানিবাহিত রোগ

দেশের উত্তরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলেও নদ-নদীর পানি বেড়েছে মধ্যাঞ্চলে। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। আশ্রয়হীন হয়ে পড়ছেন অসংখ্য মানুষ। দূর্গত এলাকায় বেড়েছে পানিবাহিত রোগের প্রকোপ।

কুড়িগ্রামে ধরলার পানি সামান্য কমলেও ব্রহ্মপুত্রের পানি প্রায় অপরিবর্তিত থেকে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কোন উন্নতি হয়নি। দীর্ঘ বন্যায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির চরম সংকটে  জেলার ৪ লাখের বেশি বানভাসী মানুষ।

ত্রাণ স্বল্পতায় খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে হতদরিদ্র পরিবারগুলো। খাদ্যের অভাবে দুর্ভোগ বেড়েছে গৃহপালিত পশু-পাখির। বন্যা দুর্গত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে ডায়রিয়া, জ্বরসহ পানি বাহিত নানা রোগ। এদিকে, সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি কিছুটা কমলেও জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। ডুবে আছে বাড়িঘর, রাস্তাঘাট। তলিয়ে গেছে প্রায় ২৭ হাজার হেক্টর ফসলী জমি।

ফলে চরম দুর্ভোগে আছেন জেলার সাড়ে ৩ লাখ পানিবন্দী মানুষ। অন্যদিকে, বন্যা দীর্ঘস্থায়ী রূপ নেয়ায়, মুন্সীগঞ্জ জেলার ৩ উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকা এখন পানির নিচে। তলিয়ে গেছে আউশ ধান, আমনের বীজতলা ও অন্যান্য ফসলের ক্ষেত।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button