
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় গত কয়েকদিনে টানা ভারি বর্ষন ও জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ২শ ৫০ হেক্টরের অধিক পানের বরজ ডুবে গেছে। অন্যদিকে করোনার কারনে পানের দামে ধস নেমেছে। পূর্ণ উৎপাদন মৌসুমে হাটবাজারে বর্তমানে মানুষের অবাধ চলাচল বন্ধ থাকার জন্য ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়েছে উপজেলার পানের হাটবাজার ও আড়ৎগুলো। এতে বিপাকে পড়েছেন পান চাষিরা। সরকারী সহায়তা চান তারা্।
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টিপাত ও জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার অধিকাংশ পানের বরজ তলিয়ে গেছে। চাষীরা তাদের শেষ সম্বল পানের বরজ রক্ষায় নানা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পান লতার গোড়ায় বন্যার পানি জমায় অনেক পান লতা মরতে শুরু করেছে।
উপজেলায় ২শ ৫০ হেক্টর জমিতে পাঁচ লাখ পানের বরজ আবাদ হয়েছে। আবাদি ভূমির এক তৃতীয়াংশ জমি পানিতে ডুবে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পরেছে এরসাথে সংশ্লিষ্ট ১৫ হাজার পরিবার।
ক্ষতিগ্রস্থ পান চাষিদের তালিকা করে উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা,পান চাষিদের দাবি সরকারি সহয়তা পেলে পানের বরজ দিয়ে পুনরায় পেশায় ফিরে যেতে পাবেন।
বাংলাটিভি/শহীদ



