৫০ বছরেও সংরক্ষণ হয়নি ঝালকাঠির অনেক বধ্যভূমি

একাত্তরে গণহত্যা পাকবাহিনীর নির্মম নির্যাতন চলে ঝালকাঠিতে। কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছরেও অনেক বধ্যভূমি সংরক্ষণ হয়নি। একাত্তরের স্মৃতি আর শোকগাঁথা জেলার এসব বধ্যভূমি কালের গর্ভে হারিয়ে যেতে বসেছে।
একাত্তরের ৯ মাস ঝালকাঠির বিভিন্নস্থানে গণহত্যা, লুট আর নারী নির্যাতনসহ হানাদার বাহিনী নির্মম নির্যাতন চালায়। জেলার সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি শহরের সুগন্ধা নদী পাড়ে বর্তমান পৌর খেয়াঘাট এলাকায়। ১৯৭১ সালের ৩০ মে ১০৮ জন নিরিহ বাঙ্গালী ও মুক্তিযোদ্ধাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের তথ্য অনুযায়ী ঝালকাঠিতে ২৪টি বধ্যভুমি রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে এ সংখ্যা আরো বেশি। কিন্তু আত্মত্যাগী এসব শহীদের স্মৃতি রক্ষায় স্বাধীনতার ৫০ বছরেও বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষিত হয়নি। সারা দেশের সাথে ঝালকাঠিতে নির্মিত জেলা শহীদ স্মৃতি ফলক নির্মানের ৬ মাসের মধ্যে মুছে গেছে শহীদের নাম।
এসব বধ্যভূমি দ্রুত সংরক্ষনের উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে জেলা প্রশাসন। আর নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরতে বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণ করে স্মৃতিস্তম্ভ নিমার্নের দাবি ঝালকাঠিবাসীর।
রতন আচার্য্য, ঝালকাঠি প্রতিনিধি



