
শরীয়তপুরে জেলেদের মাঝে ভিজিএফের বরাদ্দকৃত চাল বিতরণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। একাধিক কার্ডধারীর অভিযোগ,কার্ডপ্রতি ২০ কেজি কোরে চাল বরাদ্দ থাকলেও, দেয়া হচ্ছে ১৭ থেকে ১৮ কেজি চাল। ইলিশ ধরার নিষিদ্ধ সময়ে, মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায়, জেলেদের এই চাল দেয়া হচ্ছে। তবে, অনিয়মের বিষয়ে কথা বলতে রাজি নয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা।
সারাদেশে ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশ রক্ষায়, মৎস্য সংরক্ষন অভিযান ঘোষনা করেছে সরকার। এ সময়ে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় জেলেদেরকে খাদ্য সহায়তা বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তবে, শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা মৎস্য অধিদফতরে নিবন্ধিত, ১৩ হাজার ৪শ’জেলেকে মৎস্য ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ করেছে, একাধিক কার্ডধারী জেলে। তাদের অভিযোগ,কার্ডপ্রতি ২০ কেজি কোরে চাল বরাদ্দ থাকলেও, তারা পেয়েছেন ১৬ থেকে ১৮ কেজি কোরে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে জেলেদের বিনামূল্যে চাল বিতরণকালে, দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন ট্যাগ অফিসার উপস্থিত থাকার নিয়ম থাকলেও,বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের অনুপস্থিতিতে কার্যক্রম শেষ করেছেন জনপ্রতিনিধিরা।
অন্যদি,কে ভেদরগঞ্জের পদ্মা-মেঘনা নদী এবং নদী তীরবর্তী এলাকায়, প্রকাশ্যে মিলছে মা ইলিশ। মৎস্য বিভাগের সঠিক তদারকির অভাবে, অহরহ বসেছে ইলিশের হাট। কিন্তু অনিয়মের বিষয়ে ভেদরগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে অফিস বন্ধ পাওয়া গেছে। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে দিয়ে অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ না করতে, সংবাদিকদের ম্যানেজ করার চেষ্টা করা হয়।
পরবর্তীতে বক্তব্যের জন্য জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে সেখানেও জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে চাননি তিনি।
শরীয়তপুরে জেলার নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ২৫ হাজারেরও বেশি। এছাড়া নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ শিকারের অপরাধে, গত ১৫ দিনে ৩শ’৮৬ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।
বাংলাটিভি/শহীদ



