শোলাকিয়ায় ১৯৯তম ঈদ জামাতের প্রস্তুতি সম্পন্ন, জামাত ১০টায়

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাতের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। দেশের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত হিসেবে পরিচিত এই ময়দানে সকাল ১০টায় নামাজ শুরু হবে এবং ইমামতি করবেন মাওলানা মুফতি আবুল খায়ের মো. ছাইফুল্লাহ।
জেলা প্রশাসন মুসল্লিদের থাকার ও খাওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা মুসল্লিদের জন্য বিশেষ ট্রেনও ব্যবস্থা করা হয়েছে—ভৈরব থেকে সকাল ৬টায়, ময়মনসিংহ থেকে ভোর ৫:৪৫টায় ট্রেন ছাড়বে এবং ঈদ জামাত শেষে উভয় ট্রেন দুপুর ১২টায় ফিরতি যাত্রা করবে। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবাসন ও অস্থায়ী অজুখানার মাধ্যমে পরিষ্কার পানি এবং নারীদের জন্য পৃথক জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
নিরাপত্তার জন্য চার স্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এতে ১,১০০ পুলিশ, ৪ প্লাটুন সেনাবাহিনী, ৬টি র্যাব টিম, ৫ প্লাটুন বিজিবি ও আনসার মোতায়েন থাকবে। পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা, ৬টি ওয়াচ টাওয়ার এবং ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারিতে থাকবে। মুসল্লিরা কেবল জায়নামাজ বহন করতে পারবেন; ব্যাগ বা অন্য জিনিস বহন নিষিদ্ধ।
র্যাব ও গোয়েন্দা সদস্যরা চেকপোস্ট, মোবাইল টহল, মহাসড়কে টহল এবং স্নাইপারসহ স্ট্রাইকিং ফোর্সের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। নিরাপত্তা ও জনস্বার্থ নিশ্চিত করতে মেটাল ডিটেক্টর ও তল্লাশির মাধ্যমে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
সার্বিকভাবে, শোলাকিয়া ঈদগাহ প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে মুসল্লির সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।



