
সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে গোলরক্ষক মেহেদী হাসানের নৈপুণ্যে
পাকিস্তানকে টাইব্রেকারে ৩-২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের কিশোররা।
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএনএফএ) কমপ্লেক্সে
শনিবার নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ সমতায় শেষের পর টাইব্রেকারে জেতে বাংলাদেশের কিশোররা।
আনফা কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ সময় বেলা পৌনে ৩টায় খেলাটি শুরু হয়।
এদিন পাকিস্তানকে হারিয়ে দ্বিতীয় শিরোপার স্বাদ পায় বাংলাদেশ।
খেলার ২৫ মিনিটেই আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ দল।
কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে হেড দিয়ে বল নিজেদের জালে জড়িয়ে দেন পাকিস্তানের ডিফেন্ডার হাসিব আহমেদ খান।
এরপর খেলার ৫৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে পাকিস্তানকে (১-১) সমতায় ফেরান মহিব উল্লাহ।
নির্ধারিত সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে।
বাংলাদেশ দলের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক মেহেদী হাসান আজ একাদশে ছিলেন না।
নির্ধারিত সময়ে খেলা ১-১ সমতায় থাকায় কোচ আনোয়ার পারভেজ বদলি হিসেবে মিতুল মারমার পরিবর্তে মেহেদীকে মাঠে নামান।
টাইব্রেকারের প্রথম, দ্বিতীয় ও শেষ শটটি ঠেকিয়ে বাংলাদেশকে ৩-২ গোলে জয় উপহার দিয়ে নায়ক হয়েছেন যশোরের এই কিশোর।
স্পটকিক থেকে বাংলাদেশের তিনটি গোল করেছে হৃদয়, রাজা আনসারি ও রুস্তম। মিস করেছেন রাজন ও রবিউল।
এর আগে ২০১৫ সালে ঘরের মাঠে ভারতকে হারিয়ে সাফের অনূর্ধ্ব-১৬ পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ।
তবে পরের আসরেই শিরোপাটা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ।
২০১৭ সালে নেপালের কাছে ৪-২ গোলে হেরে ফাইনালে খেলা হয়নি বাংলাদেশের।
সেবার ভুটানকে ৮-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে তৃতীয় হয়েছিল লাল-সবুজের কিশোররা।
এবার আবার শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে বাংলাদেশের কিশোররা।
টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতকে সেমিফাইনালেই বিদায় করে দিয়েছে বাংলার দুরন্ত কিশোররা।
শনিবার ফাইনালে পাকিস্তানকে বধ করল বাংলাদেশ।
এবারের আসরে ফাইনালসহ চার ম্যাচে অপরাজিত বাংলাদেশ দল।
প্রথম ম্যাচে মালদ্বীপকে ৯-০ গোলে হারিয়ে চমক দেখায় বাংলাদেশ।
নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ১০জনকে নিয়ে নেপালকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ।
এরপর সেমিফাইনালে বৃহস্পতিবার (০১ নভেম্বর) প্রথম সেমিফাইনালে
ভারতকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে পরাজিত করে ফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ।
ওই ম্যাচেও টাইব্রেকারে দুটি সেভ করে দলের জয়ের নায়ক ছিলেন গোলরক্ষক মেহেদী হাসান।
একই দিনের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে ৪-০ গোলে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে পাকিস্তান।
ফাইনালসহ বাংলাদেশ গোল করেছে ১৩টি, খেয়েছে ৩টি।



