প্রধানমন্ত্রীবাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দিতে জমায়েত হচ্ছেন আলেমরা

সোহরাওয়ার্দীতে শোকরানা মাহফিল

দাওরায়ে হাদিসকে সাধারণ শিক্ষার স্নাতকোত্তর ডিগ্রির সমান স্বীকৃতি বিল জাতীয় সংসদে

পাস করায় কওমি আলেমদের উদ্যোগে আয়োজিত ‘শুকরানা মাহফিলে’ যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ সকাল পৌনে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান আয়োজক সংশ্লিষ্ট শীর্ষ আলেমরা। সেখানে কওমি আলেমদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পর প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠান মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন।

এ উপলক্ষে সকাল ১০টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শোকরানা মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

এতে সভাপতিত্ব করছেন আল্লামা শাহ আহমদ শফী।প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দিতে জমায়েত হচ্ছেন আলেমরা

এদিকে সকাল থেকে মাহফিল সফল করতে দলে দলে যোগ দিতে দেখা যাচ্ছে কওমি শিক্ষার্থী-আলেম ওলামাদের।

ভোর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উদ্দেশে যাত্রা করতে দেখা গেছে তাদের।

অন্যদিকে রাজধানীতে এ বড় সমাবেশকে সামনে রেখে

এরই মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে।

এছাড়া আজকের পূর্বনির্ধারিত জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব  মুফতি ফয়জুল্লাহ জানান,

কওমি ছাত্র জনতার দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা কওমি সনদের সরকারি স্বীকৃতি বিল জাতীয় সংসদে পাস করার মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রশংসিত ও সম্মানীত হয়েছেন।

এ জন্য আজ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আপামর জনতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এটি শোকরানা মাহফিল।

হেফাজতে ইসলাম ও ইসলামী ঐক্যজোট নেতা আ ন ম আহমদ উল্লাহ বলেন,

দাওরায়ে হাদিসকে সাধারণপ্রধানমন্ত্রী যেভাবে কওমি সনদের স্বীকৃতি দিয়েছেন ঠিক সেভাবেই হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা মেনে নেবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি। আমরা ১৩ দফা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরব।

এ উপলক্ষে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মঞ্চ ও প্যান্ডেল তৈরির কাজ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনার স্থান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান

শনিবার দুপুরে পরিদর্শন করেছেন জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও

জমিয়াতুল উলামার চেয়ারম্যান শাইখুল হাদিস আল্লামা ফরিদ উদ্দীন মাসউদ।

এ সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমরা আশা করছি ১০ লাখেরও বেশি মানুষ শোকরানা মাহফিলে উপস্থিত হবেন।

আলেমদের এ সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর কাছে কোনো দাবি রাখা হবে কিনা জানতে চাইলে মাসউদ বলেন,

সে রকম কোনো বিষয়ে সম্মিলিত পরামর্শ হয়নি। তবে জামায়াত নিষিদ্ধকরণ,

কাদিয়ানিদের মিথ্যাচার প্রচারের বিরুদ্ধে আলোচনা হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়েও ভালো ভূমিকা রাখতে পারেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সহসভাপতি মাওলানা ইয়াহয়া মাহমুদ,

মহাসচিব মুফতি মুহাম্মদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ইমদাদুল্লাহ কাসেমী,

বাংলাদেশ জমিয়াতুল উলামার মহাসচিব মাওলানা আবদুর রহিম কাসেমী,

অভিভাবক পরিষদ সদস্য মাওলানা আইয়ুব আনসারী,

ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন,

কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মাওলানা মাসউদুল কাদির প্রমুখ। সারা দেশে ১৩ হাজার ৯০২টি

কওমি মাদ্রাসায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থী আছে।

বাংলাটিভি/এসএম/এবি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close