অন্যান্যরাজনীতি

আ.লীগ বিএনপির ভরসা সিরাজ-মনজুর

নরসিংদী-৩ (শিবপুর)

Shibpur
নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের বর্তমান সাংসদ স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিত সিরাজুল ইসলাম মোল্লা। তিনি কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হয়েও গত দশম সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য জহিরুল হক ভুঁইয়া মোহনের প্রতিদ্বন্ধীতা করেন।

তখন সিরাজ মোল্লা আবদুল মান্নান ভূঁইয়া পরিষদের অনুসারীদের সহায়তা নেওয়ায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিরাগভাজন হয়েছে। যা সংসদ সদস্য হওয়ার এই সময়েও এর রেশ কেটে উঠতে পারেননি। 

অপরদিকে বিএনপির একসময়ের প্রভাবশালী নেতা ও মহাসচিব আবদুল মান্নান ভুঁইয়া। ২০০৭ সালে দেশে জরুরি অবস্থা জারির পর সংস্কারপন্থী

হওয়ার অপরাধে দল থেকে বহিষ্কৃত হয় মান্নান ভূঁইয়া। এই ঘটনার পর থেকে মান্নান ভূঁইয়ার নিজ উপজেলা শিবপুরে বিএনপি এখনো তিনভাগে

বিভক্ত। দলীয় প্রচেষ্টায় গত নবম সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির সাবেক মহাসচিব আবদুল মান্নান ভুঁইয়াকে পরাজিত করে বিজয় লাভ

করেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী জহিরুল হক ভুঁইয়া মোহন। কিন্তু সংসদ সদস্য হওয়ার পর পরই দলীয় কাজে আত্মীয়করণের মাধ্যমে

ক্ষমতা পুঞ্জীভূতকরার কারণে ব্যাপক সমালোচিত হন জহিরুল হক ভূঁইয়া মোহন। এ সুযোগে দলের বঞ্চিত নেতাকর্মীদের নিজের ছত্র-ছায়ায়

নিয়ে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হওয়ার সুবাদে দ্বাদশ নির্বাচনে জহিরুল হক মোহনের সাথে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে নৌকা প্রতীক

চেয়েও মনোবাসনা পূরণ হয়নি সিরাজুল ইসলাম মোল্লার। 

কিন্তু সর্বশেষ মনোনয়ন দৌড়ে যুবলীগ নেতা সিরাজুল ইসলামকে পিছনে ফেলে মনোনয়নপত্রটি লাভ করেন সংসদ সদস্য জহিরুল হক ভুঁইয়া মোহন।

এতে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে স্বতন্ত্র থেকে প্রার্থী হয়ে নিজেকে আত্মপ্রকাশ করেন সিরাজুল ইসলাম মোল্লা। তখন আবদুল মান্নান ভুঁইয়া

পরিষদের হাত ধরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জহিরুল হক মোহনের সাথে প্রতিদ্বন্ধীতা করে হাঁস প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেন। কিন্তু দলীয় শৃঙ্খলা

ভঙ্গের অভিযোগে স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগ থেকে সটকে পড়েন সিরাজ মোল্লা। এরমধ্যে আবদুল মান্নান ভূঁইয়া পরিষদের সদস্য সচিব ও

শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফ-উল ইসলাম মৃধার সাথে একাধিকার মতানৈক্য তৈরি হওয়ায় দু:সময়ের বন্ধু হিসেবে খ্যাত মিত্রটি

শত্রুতে পরিণত হওয়ায় স্থানীয়ভাবে একা হয়ে পড়েন সিরাজ মোল্লা। এরপর বিগত সারে ৪ বছরেও স্থানীয় আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন

যুবলীগের কমিটি গঠন ও কার্যক্রম নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন। 

এছাড়া দলীয় কাজে তেমন অগ্রগতি লাভ করতে পারেনি।

এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি স্বতন্ত্র সংসদদের আওয়ামী লীগে যোগদানে কোন প্রভাব পড়েনি শিবপুরে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জহিরুল

হক ভুঁইয়া মোহনের আয়ত্তে থেকে আগামী সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহপূর্বক জমা দিয়েছেন। শিবপুর উপজেলা

মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আজিজুর রহমান ভুলু জানান, ‘জহিরুল হক ভুঁইয়া মোহনের সবচেয়ে বড় একটি গুণ হলো সততা ও

স্বচ্ছতা। এবারের নির্বাচনে তাকে এটাই সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সে কারো সাথে কথা দিয়ে বরখেলাপ করেনা। শিবপুর উপজেলা আওয়ামী

লীগের সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম ভুঁইয়া রাখিল জানান, ‘বর্তমান সংসদ সদস্য উপজেলা আওয়ামী লীগের কোনো কর্মকাণ্ডের সাথে

জড়িত নয়। তাই উনাকে নিয়ে ভাবার কিছু নেই। এছাড়া তিনি জনবিচ্ছিন্ন সাংসদ। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিয়েই মূলত তিনি বেশী ব্যস্ত থাকেন।

তাছাড়া শিবপুরের জনগণের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। আমি ছাত্র রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগের সাথে। উপজেলা আওয়ামী লীগের

সভাপতি হারুন অর রশীদ খান জানান, ‘সিরাজ মোল্লা স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হিসেবে বিগত দিনগুলোতে স্বতন্ত্রভাবে চলেছেন। উপজেলা আওয়ামী

লীগের কোন কর্মকাণ্ডে তিনি ছিলেন না। এমনকি উপজেলা আওয়ামী লীগের কোনো নেতার সাথেও উনার যোগাযোগ নেই।’ 

আওয়ামীলীগের মনোনয়ন-প্রত্যাশী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক সাংসদ জহিরুল হক ভুঁইয়া মোহন জানান,

‘স্বতন্ত্র এমপি ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে কালো টাকা দিয়ে বিএনপি-জামায়াতের নেতা কর্মীদের প্রলুব্ধ করে বিজয়ী হয়েছিলেন। তার কাছে নৌকা

নিরাপদ নয়। যার কারণে বিগত নির্বাচনেও জননেত্রী আমাকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। এবারও আমি আশাবাদী।’ বর্তমান সংসদ সদস্য সিরাজুল

ইসলাম মোল্লা জানান, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগের সাথে আমার সম্পৃক্ততা নেই এটা সঠিক নয়। আমি নেতাকর্মীদের যতটুকু মূল্যায়ন করা

দরকার, চেষ্টা করেছি তাঁর চেয়ে বেশি করে যেতে। আর আমি এলাকায় যে পরিমাণ উন্নয়ন করেছি তাঁর মূল্যায়ন জনগণ অবশ্যই করবে।

জননেত্রী শেখ হাসিনার দেখানো  পথেই আমি এলাকার সকল কাজ করে আসছি। তাই আমি শতভাগ আশাবাদী এবারের নির্বাচনেও আমাকেই

মনোনয়ন দেবে নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের চারবারের সংসদ সদস্য ছিলেন আবদুল মান্নান ভূঁইয়া। শিবপুরের বিএনপির নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

হিসেবে পুরো নরসিংদীর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করেছেন মান্নান ভূঁইয়া। এর মধ্যে শিবপুরে সবচেয়ে উন্নয়ন হয়েছে। সেখানকার গ্রাম-গঞ্জের

রাস্তাঘাটও পাকা। আছে প্রত্যন্ত এলাকায় বিদ্যুৎ। এসব কারণে এলাকায় তিনি দারুণ জনপ্রিয় ছিলেন। এছাড়া শিবপুরে বিএনপির নেতাকর্মীরাও

তাঁর কথায় চলতেন। আর তাই ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থার সময়ে সংস্কারের ডাক দেওয়ায় তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। উপজেলা

বিএনপির সে সময়ের সভাপতি আবুল হারিছ রিকাবদার ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম মৃধা দল থেকে স্বেচ্ছায় সরে যান। তারা যোগ

দেন মান্নান ভুঁইয়ার সাথে। কিন্তু সবাইকে অবাক করে মান্নান ভুঁইয়ার প্রতিদ্বন্ধী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তাঁর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে

পরিচিত জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন মাষ্টার। ফলে বিএনপিতে ভাঙ্গন তৈরি হয়। ২০০৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরের

নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মান্নান ভূঁইয়ার সাথে নির্বাচন করেন। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর জহিরুল হক ভুঁইয়া মোহনের

কাছে পরাজিত হয় মান্নান ভূঁইয়া। আর জামানত হারান তোফাজ্জল হোসেন। স্থানীয়রা জানান, ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর নিজের পক্ষের

নেতাকর্মীদের দিয়ে উপজেলা বিএনপির কমিটি করেন তোফাজ্জল হোসেন। ২০০৯ সালের ২১ ডিসেম্বর শিবপুর সরকারি শহীদ আসাদ

কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আবদুল মান্নান খানকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও আবু ছালেহ রিকাবদারকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭১ সদস্যের

বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়।

কিন্তু পরবর্তীতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মান্নান খানের সাথে আবার বিরোধে জড়িয়ে পড়েন তোফাজ্জল হোসেন।

এরপর তিনি সংস্কারপন্থীদের সাথে এই কমিটির আঁতাতের অভিযোগ তুলে ২০১৩ সালে এই কমিটি ভেঙ্গেও দেন। জেলা বিএনপির

সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পরেও তিনি নিজেকে শিবপুরের আহ্বায়ক হিসেবে ফের কমিটি ঘোষণা করেন। কিন্তু মান্নান খান এই কমিটি না মেনে

নিজেদের কমিটি বহাল রাখেন। তাতে সমর্থন দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া।

ফলে এখানে বিএনপির তিনটি ধারা তৈরি হয়েছে। পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মান্নান ভুঁইয়া পরিষদের আবুল হারিছ

রিকাবদারের সাথে আরিফ-উল ইসলাম মৃধার বিরোধকে কাজে লাগিয়ে আবুল হারিছ রিকাবদারকে নিজের কব্জায় নিয়ে নেন উপজেলা বিএনপির

সভাপতি করেন তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ২০১০ সালের ২৮ জুলাই মান্নান ভুঁইয়া মারা যান। এরপর তাঁর অনুসারীরা

গঠন করেন ‘আবদুল মান্নান ভূঁইয়া পরিষদ’ নামে একটি সংগঠন। মান্নান ভুঁইয়ার মৃত্যুর পর শিবপুরে বিএনপির তিনটি ধারা থাকলেও সর্বশেষ

উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের সব নির্বাচনের বিভিন্ন পদে মান্নান ভুঁইয়ার অনুসারীরা অনেকে জয়লাভ করেছেন। শিবপুরের বিভিন্ন

ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে এজন্য রয়েছে ২৮ টি কমিটি। এই কমিটি এখন বিএনপির গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ এবছরের ২৯ মার্চ

উপজেলার দুলালপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী মো. মেরাজুল হককে সমর্থন দেয় মান্নান

ভুঁইয়া পরিষদ।

সেখানেও বিএনপি-আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে পরাজিত করে মেরাজুল বিজয় লাভ করে।

এই উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী

মাহফুজুল হক মোল্লা শামীম দ্বিতীয় ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী মরিয়ম বেগম মুক্তা তৃতীয় স্থান হয়। আগামী নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন-

প্রত্যাশী হিসেবে কেন্দ্রীয় বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. সানাউল্লাহ মিয়া, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন

মাষ্টার, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মনজুর এলাহী ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকরামুল

হাসান মিন্টু নিজেদের প্রার্থী হিসেবে দাবী করে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ পূর্বক জমা দেন। এব্যাপারে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হারিছ

রিকাবদার জানান, ‘মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। তবে নেত্রী যাকে মূল্যায়ন করবে আমরা তাঁর পক্ষেই কাজ করব।’ আবদুল

মান্নান ভূঁইয়া পরিষদের সদস্য সচিব ও উপজেলা চেয়ারম্যান আরিফ-উল ইসলাম মৃধা জানান, ‘দলগত দিক থেকে শিবপুরে আওয়ামী লীগ ও

বিএনপি দুই দলই অন্তসার শূন্য। তাই তারা এখন করছে প্রতিহিংসার রাজনীতি। সর্বশেষ দুলালপুরে উপনির্বাচনে আমাদের সমর্থিত প্রার্থী বিজয়ী

হয়েছেন। আর এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সম্প্রতি বর্ধিতসভা করে ইউএনওর কার্যালয়ে ইটপাটকেল ছুড়েছে। ইউএনওর

অপরাধ নির্বাচনে নিরপেক্ষতা। আসলে মান্নান ভূঁইয়ার ছোঁয়া এখনও মানুষের হৃদয়ে আছে।

তাই আমার ধারনা এবারের নির্বাচনে মান্নান ভুঁইয়ার আশীর্বাদ পুষ্ট কাউকে শিবপুরের মানুষ তাদের সেবায় কাজ করার সুযোগ দিবেন।’ 

শিবপুর-৩ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন মাষ্টার জানান,

‘শিবপুরের বর্তমান স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যের সাথে জনগণের কোন সম্পৃক্ততা আছে বলে আমি জানি না। আর উপজেলা চেয়ারম্যান আরিফ-উর

ইসলাম মৃধা ছাড়া মান্নান ভূঁইয়া পরিষদে আর কেউ নেই। সবাই আমার নেতৃত্বে বিএনপির মূল ধারায় ফিরে এসেছে। সে ক্ষেত্রে মান্নান ভুঁইয়া

পরিষদ বিএনপির জয়ে বাঁধা বলে আমি মনে করি না। আর আমি বিএনপির দু:সময়ে হাল ধরেছি। এখন ধরে আছি। এবারের নির্বাচনে নেত্রী

আমাকে মনোনয়ন দেবেন বলে আশাবাদী।’ এই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী মনজুর এলাহী জানান, আমি শিবপুরের আসনে

এবার মনোনয়ন পেতে আগ্রহী হয়ে দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছি। দল যদি মনে করে আমাকে মনোনয়ন দেবে তাহলে আমি নির্বাচন

করবো এবং দলকে একটি আসন ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে স্থানীয় সকল নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ করে যাবো। এছাড়া জাতীয় পার্টি থেকে জেলা

জাতীয় পার্টির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি রেজাউল করিম বাসেত, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য আলমগীর কবির ও জেলা জাতীয় পার্টির সহসভাপতি ও

শিবপুর উপজেলা সভাপতি জাহাঙ্গীর পাঠান মনোনয়ন প্রত্যাশী। এছাড়া আওয়ামীলীগের শরীকদল ইসলামী ঐক্যজোটের বাংলাদেশ নেজামী

ইসলামী পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল রতিফ নিজামীর নিজ আসন নরসিংদী-৩ শিবপুরের আসনটি। তাই একাধিকবার গুঞ্জন উঠেছে

এই নেজামী ইসলামকে যদি একটি আসনও দিতে হয় আর সেটি হতে পারে এই আসনটি। আর এই আসনটি তাকে ছেড়ে দিতে হবে আওয়ামীলীগের।

বাংলাটিভি/এসএম/এবি||শরীফ ইকবাল রাসেল,নরসিংদী||

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close