বিশ্ববাংলা

বিশ্ব বাংলা সার্বিক তত্বাবধানে দেশে ফিরেছে প্রবাসীর মরহেদ

বিশ্ব বাংলা

বাংলা টিভি সার্বিক সহযোগিতায় ওমান থেকে অবশেষে দেশে ফিরেছে সাদেক সরকারের মরদেহ । বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তার মরদেহ দেশে পাঠাতে চরম বিপাকে পরতে হয়েছে দূতাবাসসহ প্রবাসী বাংলাদেশীদের। ওমানে সাদেকের কোন আপনজন না থাকায় তার মরদেহ দেশে পাঠাতে উদ্যোগ নেন আমাদের ওমান প্রতিনিধি বাইজিদ আল হাসান।

গত ১৫ ই নভেম্বর প্রতিদিনের ন্যায় সকালে কাজে যেয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরেন সাদেক সরকার। আশিক খান ও স্থানীয় কয়েকজন বাংলাদেশী তাকে স্থানীয় লাইফ লাইন হসপিটালে নিয়ে যায়। হসপিটালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার ওমানে কোনো আত্মীয় স্বজন না থাকায় এবং ওমানে বসবাসের কোনো বৈধ কাগজপত্র না থাকায় লাশ টি দেশে পাঠানো অনিশ্চিত হয়ে পরে।  দূতাবাসের সহযোগিতায় মরদেহটি দেশে পাঠানোর সকল কাগজপত্র তৈরি করা হয়। কাগজপত্র ঠিক হওয়ার পর শুরু হয় ফ্লাইট বিড়ম্বনা,বাংলাদেশ বিমান মরদেহ নেওয়া বন্ধ করে দেওয়ায় চরম বিপাকে পরেন ওমান প্রবাসীরা। প্রতিদিন প্রায় ৩ থেকে ৪টা মরদেহ ওমান থেকে দেশে আসে, বিগত দিনে বাংলাদেশ বিমান ও রিজেন্ট এয়ারে মরদেহ গুলো ফ্রিতে দেশে পাঠানো যেতো। কিন্তু হঠাৎ করে বিমানের মরদেহ নেওয়া বন্ধ করে দেওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন  বাংলাদেশ দূতাবাস ওমান। দেশের কোনো বিমানের টিকিট না পাওয়ায় সম্পুর্ণ ব্যাক্তি উদৌগে সাদেক সরকারের মরদেহটি দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। এসময় আর্থিক সহযোগিতা করেন বাংলাদেশ দূতাবাস, চট্টগ্রাম সমিতি ওমান, বরকত আলী, আবুল হাসান ও নাসির হোসেন। এই হ্রদয়বান মানুষগুলোর আন্তরিক সহযোগিতায়  অবশেষে সাদেক সরকারের মরদেহটি পৌছে দেয়া হয় স্বজনদের হাতে। প্রবাসীদের এমন করুণ অবস্থা থেকে বাচার জন্য বিশিষ্টজনরা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন, এর ভিতর হচ্ছে
১, ফ্রি ভিসায় বিদেশ না যাওয়া,
২, বিদেশ এসে অবৈধ না হওয়া।
৩, বৈধ কাগজপত্র সবসময় সাথে রাখা।
৪, অবৈধ কাজ থেকে সম্পুর্ণ দূরে থাকা।
৫, প্রতিটা প্রবাসীর ইন্স্যুরেন্স এর ব্যবস্থা করা।
৬, অতিরিক্ত মানুষিক চাপ না নেওয়া।
৭, পরিবারের পক্ষথেকে টাকার জন্য বেশি চাপ প্রয়োগ না করা

 

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close