অপরাধজনদুর্ভোগবাংলাদেশ

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে অ্যাকশনে ওবায়দুল কাদের

পরিবহনখাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে আবারও অ্যাকশনে নেমেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এর আগেরবারও মন্ত্রী হিসেবে নিজের অ্যাকশন ভঙ্গি দিয়ে জনগণের নজর কেড়েছিলেন তিনি। এবারও ব্যতিক্রম হলো না। নতুন সরকার গঠনের এক সপ্তাহ না যেতেই নেমে গেছেন সড়কে। সামনে দাঁড়িয়ে বাস থামালেন। উঠে গিয়ে খুঁজে বের করলেন অনিয়ম। শুরু করলেন আগের মতোই অ্যাকশন। জানালেন, নতুন সড়ক পরিবহন আইন থেকেই কার্যকর। এ আইনে গাড়ি মালিককেও ধরা হবে। শনিবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে এভাবেই থাকে অ্যাকশনে দেখা গেছে।
শনিবার আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী হিসেবে ওবায়দুল কাদেরকে রাস্তায় প্রথম দেখা গেলো। এদিনও নিজের গাড়ি ছেড়ে রাস্তায় গণপরিবহনে উঠলেন তিনি। তবে যাত্রী নয় মন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে। এ দায়িত্বে তিনি চালকের কাছে লাইসেন্স ও গাড়ির বৈধ কাগজপত্র চেক করলেন। সঙ্গে ছিলেন বিআরটিএ কর্মকর্তারাও। তার তাৎক্ষণিক এ অভিযানে বেশ কয়েকটি গাড়ির অনিময় ধরা পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে ডাম্পিং জরিমানা করা হয়।
তবে বাসের সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিতে নারাজ মন্ত্রী। এ জন্য অভিযানের মাঝখানে পুলিশ ও বিআরটিএ কর্মকর্তাদের প্রতি চড়াও হলেন। কেন যাত্রী নামিয়ে ডাম্পিংয়ে দেওয়া হলো গাড়ি, তাও জানতে চাইলেন পুলিশ ও বিআরটিএ কর্মকর্তাদের কাছে। বললেন, ‘কোনো গাড়ি ডাম্পিংয়ে দিতে হলে আগে যাত্রীকে যথারীতি গন্তব্যস্থানে পৌঁছে দিতে হবে। তারপরে গাড়ি ডাম্পিংয়ের আনতে হবে।’
আরও জানালেন, মন্ত্রী হিসেবে এবারে তার বড় কাজ হবে সড়ক ও পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা আনা। এ কাজে ‘প্রথম রাতে বিড়াল মারার’ ঘোষণা আগেই দিয়েছেন।
মালিক হোক, চালক হোক, নতুন আইনে সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মাঝখানে সরকার নিয়মিত দায়িত্ব পালন করতে পারেনি। নির্বাচনের পর এখন সরকার দায়িত্ব পালনে ভারিক্কি অর্জন করেছে। এখন কার্যক্রমে গতিশীলতা আসবে। সড়ক পরিবহন আইন এখন থেকেই কার্যক্রম শুরু হবে।’
এদিকে, পরিবহন খাত ছাড়াও সড়ক নিরাপদ করতে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এ সপ্তাহের মধ্যে শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন ওবায়দুল কাদের। দেশের সব সড়ক মহাসড়কের পাশে থাকা অবৈধ যে স্থাপনাগুলো সাত দিনের মধ্যে উচ্ছেদ করা হবে বলেও তিনি জানান।
বাংলাটিভি/পাইক

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close