
রমজান উপলক্ষ্যে সরকার মাংসের দাম নির্ধারণ করে দিলেও তা মানছেন না বেশিরভাগ ব্যবসায়ী। আজ মঙ্গলবার,রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় মাংস বিক্রেতাদের অনিয়মের এ চিত্র। রাজধানীর মহাখালী ও কারওয়ান বাজারে দেশি গরুর মাংস নির্ধারিত দামের বাইরেও ২৫ থেকে ৫০ টাকা বেশিতে বিক্রি হচ্ছে।
গতকাল দুই সিটি কপোর্রেশনের পক্ষ থেকে দাম নির্ধারণ করে বলা হয়, প্রতি কেজি দেশি গরুর মাংসের দাম ৫২৫, বিদেশি গরু ৫০০ ও মহিষের ৪৮০ টাকা, খাসির মাংসের দাম ৭৫০ টাকা এবং ভেড়ার মাংস ৬৫০ টাকায় বিক্রি হবে। সুপার শপগুলোতেও এই দর মেনে মাংস বিক্রি করতে বলা হয়েছে। তবে, তা না মানলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দেয়া হয়।
এ সময়, রমজানে জিনিসপত্রের দাম স্থিতিশীল রাখতে এবং ভেজালমুক্ত খাদ্যদ্রব্য নিশ্চিত করতে বাজার মনিটরিং বিষয়ে নগরভবনে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে বৈঠক করেন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।
র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেন,’আমেরিকাতে গরুর মাংসের দাম ৪ ডলার। সে হিসাবে বাংলাদেশি টাকায় মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৩২০ টাকা। আর আমরা বিক্রি করছি ৫২৫ টাকায়।’এ সময় তিনি,সরকারের কাছে অনুরোধ করেন ‘নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩’ সংশোধন করে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হোক।’
এদিতে সম্প্রতি পঁচা খেজুর ও মেয়াদোত্তীর্ণ সয়াবিন তেল পাওয়া প্রসঙ্গে, ব্যবসায়ীদের নৈতিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বেনজীর আহমেদ।
সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন,’বাজার স্থিতিশীল রাখতে জেল-জরিমানা নয়, দরকার ব্যবসায়ীদের মানসিকতা বদলানো।
রমজানে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার আহ্বান জানিয়ে টিপু মুন্সী ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, রোজার মাসে আপনারা একটু কম দামে পণ্য বিক্রি করেন। আইন করে মনিটরিং করে, বাজার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করা যাবে। কিন্তু, আপনাদের ভিতরে যদি নৈতিকতা জাগ্রত না হয় তাহলে কিছুই করা যাবে না।
অনুষ্ঠানে উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র অনৈতিকভাবে বা অতিরিক্তি মূল্য রাখলে এবং খাদ্যে ভেজাল দিলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
বাংলাটিভি/ফাতেমা



