দেশবাংলা

আশুলিয়ায় অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে অনুমোদনহীন বেকারি

শিল্পাঞ্চল খ্যাত আশুলিয়ার অলিতে গলিতে ব্যাঙের ছাতারমতো গড়ে উঠেছে অনুমোদনহীন বেকারি ও কনফেকশনারীর কারখানা। নেই পরিবেশ ছাড়পত্র, ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদন, বি.এস.টি.আই এর লাইসেন্স। অপরিচ্ছন্ন ও স্যাঁতসেতে পরিবেশে উৎপাদিত এসব খাবার বাহারি শোরুমসহ বড় বড় বাজারে বিক্রি হচ্ছে। এসব খাবার খেয়ে জটিলরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন সব বয়সী মানুষ।

আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার ভাই ভাই বেকারী, আনন্দ বেকারী, ফাইভষ্টার, ঢাকা বেকারী, আল মদিনা, কাঠগড়া এলাকার ইসলামিয়া বেকারী ও  মুসলিম বেকারীসহ বেশকিছু বেকারী রয়েছে অনুমোদনহীন। প্রশাসনের দ্রুত নজরদারির দাবী স্থানীয়দের।

এসব বেকারির কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, শ্রমিকরা খালী গাঁয়ে অস্বাস্থ্যকর, স্যাঁতসেতে ও নোংড়া পরিবেশে পচাঁডিম ও মেয়াদউত্তীর্ণ আটা ময়দা দিয়ে পাউরুটি, বিস্কুট, কেক, চানাচুর, মিষ্টিসহ নানা পণ্য উৎপাদন করছেন। বেকারির ভেতর বিষাক্ত পোড়াতেল, ঘি, ভাতের মাড়, বাথরুমের পানি ও কাপড়ে ব্যবহ্নত ক্ষতিকর রং এক সাথে রাখা হয়েছে।

এলাকাবাসীরা অবৈধ এসব বেকারী ও কারখানার উৎপাদন বন্ধে প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ চেয়েছেন শিল্পাঞ্চলবাসীসহ সাধারণ মানুষ।

অনুমোদনহীন এসব বেকারী সিলগালা করে দেবার দাবী জানান সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)’র সভাপতি লায়ন ইমাম হোসেন।

এসব ভেজাল খাবার খেয়ে মানবদেহে ক্যান্সারসহ জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে বলে মনে করেন মেডিসিন ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ মনিরুল হুদা। এসব খাবারে ক্ষতিকারক কৃত্রিমরং ও কাপড়ে ব্যবহ্নত এমোনিয়া, কেমিকেল মেশানো হচ্ছে।

ক্ষতিকর রং মেশানো ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্য উৎপাদনকারী বেকারীগুলোর বিরুদ্ধে অচিরেই ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানান, সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পারভেজুর রহমান।

খন্দকার আলমগীর হোসেন, আশুলিয়া প্রতিনিধি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close