ভৈরবে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু

ভৈরবে ভুল চিকিৎসায় রানু বেগম নামে এক প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মৃত রোগীকে জীবিত সাজিয়ে উন্নত চিকিৎসার নামে ঢাকা পাঠানোর কথা বলে স্বজনদের বোকা বানানোর চেষ্টা করে বলেও, অভিযোগ নিহতের পরিবারের।
আর এসব অভিযোগ উঠেছে ভৈরবের মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে হাসপাতালের চিকিৎসকরা পলাতক রয়েছেন।
গত ১০ অক্টোবর রানু বেগমকে ভৈরব বাসস্ট্যান্ড এলাকায় “মা ও শিশু হাসপাতালে” ভর্তি করা হয়। ঐদিন ডাক্তার শফিকুল ইসলাম সিজারের মাধ্যমে ১টি পুত্র সন্তান প্রসব করান। জন্মের পর মা ও শিশু সন্তান ২ জনই সুস্থ্য ছিল।
রোববার হঠাৎ রোগীর শ্বাসকষ্ট শুরু হলে, এনেসথেসিয়া ডাক্তার রাজীবের নির্দেশে নার্স মোমেনা বেগমকে দুটি ইনজেকশন দেয়ার ৫ মিনিটের মধ্যে কাঁপুনি দিয়ে মারা যান রোগী।
কিন্ত মৃত্যুর খবর গোপন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনরকম কাগজপত্র বা ছাড়পত্র ছাড়াই রোগীকে জরুরীভাবে ঢাকা পাঠাতে হবে বলে তাদের নিজস্ব এ্যাম্বুলেন্সে রোগী উঠিয়ে হাসপাতাল ছাড়ে। তখন রানুকে দেখে স্বজনরা বুঝতে পারেন, তিনি অনেকক্ষন আগেই মারা গেছে। পরে স্থানীয় সাংবাদিকদের ঘটনাটি অবহিত করা হয়।
নার্স মোমেনা বেগম অভিযোগ অস্বীকার করেন। এদিকে হাসপাতালের চেয়ারম্যান বুলবুল আহমেদকে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ভৈরব থানার সিনিয়র উপ-পরিদর্শক রাসেল মিয়া জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
চিকিৎসকদের অবহেলায় আর কোন প্রসুতি মায়ের যেন অপমৃত্যু না হয়, সে ব্যাপরে প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নেবে এমন দাবী ভুক্তভোগী পরিবারের।



