যে কারণে রাজীবকে বহিষ্কার করা হয়েছে

চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও ক্যাসিনো ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেকুজ্জামান রাজীবকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের সিদ্ধান্তে ২০ অক্টোবর তাকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়া হয়। যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
জানাযায়, এই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে দখল, চাঁদাবাজি করে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আছে। টং দোকানদার থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়া রাজীবের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ, চন্দ্রিমা হাউজিং, সাত মসজিদ হাউজিং, ঢাকা উদ্যানসহ বিভিন্ন এলাকায় দখলবাজি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়াও, তার বিরুদ্ধে প্রবাসীদের বাসাসহ এলাকার অনেকের জমি দখলের অভিযোগও রয়েছে। শোনা যায় ৬ হাজার টাকার ভাড়া বাসা থেকে এখন থাকেন ৬ কোটি টাকার ডুপ্লেক্স বাড়িতে।
এর আগে ১৯ অক্টোবর (শনিবার) অসামাজিক ও সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল সারোয়ার বিন কাশেম জানান, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এবং দখলদারিত্বের অভিযোগে কাউন্সিলর রাজীবকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
চলমান দুর্নীতি অভিযান শুরুর পরপরই অনেক কাউন্সিলর দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। এরমধ্যে তারেকুজ্জামান রাজীবও গত দুই সপ্তাহ ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। কিন্তু র্যাব-২ এর একটি দল তাকে নজরদারিতে রাখতে থাকে।
২০১৪ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাউন্সিলর পদে জয়লাভ করেন রাজীব। এর আগে সাবেক একজন প্রতিমন্ত্রীর হাত ধরে রাজনীতিতে আসেন তিনি। কিন্তু কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই অবৈধভাবে বিপুল বিত্তবৈভবের মালিক হতে শুরু করে রাজীব।
নূর / বাংলা টিভি



