৬৪ জেলার মাটি দিয়ে নির্মিত মানচিত্র

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার বারাংকোলা গ্রামের যুবক শুভংকর পাল তৈরি করেছেন, মাটি দিয়ে বাংলাদেশের মানচিত্র। একমাত্র দেশের প্রতি ভালবাসাই পারে এমন মানচিত্র তৈরির আগ্রহ যোগাতে।
যে মানচিত্র স্পর্শ করলে দেশের ৬৪ জেলাকে স্পর্শ করার পাশাপাশি, পাওয়া যাবে সব জেলার মাটির গন্ধ। মানচিত্রটি অবশেষে বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর ও প্রাকৃতিক ইতিহাস বিভাগে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদর্শনীর লক্ষে সংগ্রহ করা হয়েছে।
দেশে এই প্রথম ৬৪ জেলার মাটি সংগ্রহ করে মানচিত্র নির্মাণ করেছেন, স্ট্যামফোর্ড ইউনির্ভাসিটির ফিল্ম এন্ড মিডিয়া বিভাগের সদ্য স্নাতক পাশ করা শিক্ষার্থী শুভংকর পাল। এ মানচিত্রের বিশেষত্ব হচ্ছে, হাতের স্পর্শে ছুঁয়ে দেখা যাবে পুরো দেশকে।
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বারাংকুলা গ্রামের পল্লী চিকিৎসক নিহার রঞ্জন পালের ছেলে শুভঙ্কর পাল। মা অমৃতা পাল। শখ ছিল সাইকেলে চড়ে ৬৪টি জেলা ঘুরে প্রতিটি জেলার মাটির রূপ, রস ছুঁয়ে দেখার। সেই ইচ্ছা পূরণ না হওয়ায়, বানালেন এই মানচিত্র।
এর দৈর্ঘ্য ২৮, প্রস্থ্য ১৮ ইঞ্চি। রাখা হয়েছে কাঁচঘেরা কাঠের বাক্সে। নির্মাণ শেষে বিভিন্নস্থানে প্রদর্শনীর পর, এর উপাদানগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জাতীয় যাদুঘরে সংরক্ষণ ও প্রদর্শনীর লক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে শুভঙ্করের বাড়ি থেকে মানচিত্রটি সংগ্রহ করা হয়।
অক্লান্ত পরিশ্রম আর বন্ধুদের সহযোগিতায় মাটির মানচিত্র নির্মাণ এবং জাতীয় যাদুঘরের কাছে হস্তান্তর করতে পেরে গর্বিত বলে জানান, নির্মাতা শুভঙ্কর পাল।
জাতীয় যাদুঘরের পরিকল্পনা ছিল দেশের প্রতিটি জেলার মাটি সংগ্রহ করে মাটির মানচিত্র নির্মান করার। সে কাজটি সহজ করে দিয়েছে শুভঙ্কর। কিছু আনুষ্ঠিনকতা সেরে দ্রুত এটি শোভা পাবে যাদুঘরে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা আনুষ্ঠানিক সকল প্রক্রিয়া শেষ করে দর্শনার্থীদের জন্য অচিরেই প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করবে জাতীয় যাদুঘর কর্তৃপক্ষ।
খান মোস্তাফিজুর রহমান সুমন, বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি



