আন্তর্জাতিকখেলাধুলাফুটবল

ক্লাব ক্যারিয়ারে নিজের ৭০০তম ম্যাচ খেললেন লিওনেল মেসি

ক্লাব ক্যারিয়ারে নিজের ৭০০তম ম্যাচ খেললেন লিওনেল মেসি। আর এই ম্যাচটিও তিনি রাঙিয়ে রাখলেন গোল করে আর করিয়ে। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জার্মান ক্লাব বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে তারা। আরেক ম্যাচে ইতালির ক্লাব নাপোলির সাথে ভাগ্যক্রমে ১-১ গোলে ড্র করেছে ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল।

ক্লাব ক্যারিয়ারের ৭০০তম ম্যাচের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েও ক্লান্ত নন লিওনেল মেসি। ১৫ বছর আগে শুরু করা যাত্রা এখনো অব্যাহত। আছে সাফল্য ক্ষুধা, গোল করার নেশা। দ্বিতীয় ফুটবলার হিসাবে বার্সার হয়ে ৭০০ ম্যাচে মাঠে নামেন মেসি। তার আগে এমন কৃতিত্ব করেছিলেন জাভি হার্নান্দেজ ৭৬৭টি ম্যাচ খেলে।

ন্যু ক্যাম্পে জার্মান ক্লাব বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে শাসন করেছে কাতালান জায়ান্টরা। বিশেষ করে লিওনেল মেসি।  তিন গোলের সবকটিতেই তার অবদান। লুইস সুয়ারেজকে দিয়ে করান প্রথমটি। চার মিনিট অপেক্ষার পর নিজেই দ্বিতীয় গোলটি পেয়েছেন। ক্লাব জার্সিতে ৭০০তম ল্যান্ডমার্ক ম্যাচে গোলসংখ্যা ৬১৩।

টুর্নামেন্টের ইতিহাসে এখনো পর্যন্ত এটিই সবচেয়ে বেশি প্রতিপক্ষের বিপক্ষে গোল করার বিশ্বরেকর্ড। ৬৭ মিনিটে এল এম টেনের বাড়ানো বলে বার্সার নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেন অ্যান্তনিয়ো গ্রিজম্যান।

দশমিনিট পরে অবশ্য একটি গোল শোধ করে লুসিয়েন ফ্যাভ্রের শিষ্যরা। তাতে পরাজয়ের ব্যবধান কমায় ডর্টমুন্ড। এখনো আশা শেষ হয়ে নি তাদের। শেষ ম্যাচ অপেক্ষায় সমীকরণ নির্ধারণে।

আরেক ম্যাচে দিনটা লিভারপুলের ছিলো না বলাই যায়, তা না হলে জেমস মিলনার, রবার্তো ফিরমিনোর এসব আক্রমনও ব্যর্থ হয় কি করে! উল্টো দ্রাইস মার্টনেজ শুরুতেই এগিয়ে দিয়েছিলেন নাপোলিকে।  তবে ভাগ্য দেবতা ছিলো অলরেডদের পক্ষে।  অব্যাহত তাদের অপরাজিত থাকার রেকর্ডটা।  দ্বিতীয়ার্ধে কর্ণার থেকে ডেজান লভরেন হেডে সমতা ফেরান। ৩৬ দিনে ১২ ম্যাচ খেলার ব্যস্ততার শুরুটায় সতর্ক কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের।  তাতে ১-১ গোলের ড্র, নক আউটে যেতে তাদের অপেক্ষায় থাকতে হবে শেষ গ্রুপ ম্যাচে অন্তত এক পয়েন্টের জন্য।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close