বিশ্ববাংলা

দালাল ঠেকাতে মালয়েশিয়ায় নতুন পদ্ধতি

২০২০ সালের শুরুর দিকে মালয়েশিয়ায় শুরু হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক ওয়ার্ক পারমিট। যার নাম দেয়া হয়েছে ‘ইলেক্ট্রনিক টেম্পোরারি ওয়ার্ক পারমিট’ আর এ নতুন পদ্ধতি জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

ইমিগ্রেশন দিবস অনুষ্ঠানে ই-পিএলকেএস জেআইএম উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের বলেন, যেসব নিয়োগকারী ভিজিটর পাস (অস্থায়ী কর্মসংস্থান) এর জন্য আবেদন করছেন তাদের সহায়তা করার জন্যই এই ব্যবস্থা।

তানশ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিনের মতে, নতুন ব্যবস্থাটি নিয়োগকারীদের আবেদনের প্রক্রিয়াকে সহজতর করবে যেগুলো আগে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে উপস্থিত থেকে করতে হতো। ‘আবেদনের সময় সাশ্রয় হবে কারণ এই প্রক্রিয়াটিতে কোনো মধ্যস্থতাকারী বা দালালের আর প্রয়োজন হবে না।’

মহিউদ্দিন আরও জানান, যেসব নিয়োগকর্তারা এই টেম্পোরারি ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করছেন তাদের কেবলমাত্র পিএলকেএস আবেদনের নির্ধারিত বিধি মোতাবেক প্রযোজ্য ফি এবং ভিসার জন্য অর্থ প্রদান করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে যে, এফডাব্লুসিএমএস এবং বায়োমেট্রিক স্বাস্থ্য চেক উভয়ই বিদেশি কর্মসংস্থান সংস্থা অপারেটরদের দ্বারা সমালোচিত হয়েছিল। যার কারণে শ্রমিকদের মালয়েশিয়ায় প্রেরণ বন্ধ করার হুমকিও দিয়েছিল।

অপারেটররা এফডাব্লুসিএমএস-এর আওতায় ৫ রিংগিত থেকে ২৫০রিংগিত পর্যন্ত ফি বৃদ্ধি করার কঠোর অভিযোগ করেছিলেন, যা বেসরকারি সংস্থা বেস্টিনেট এসডিএন ভিডিওর আউটসোর্স ছিল।

এদিকে, পৃথক একটি বিষয়ে মন্তব্য করে মহিউদ্দিন বলেছেন, অভিবাসী শ্রমিকদের নিয়োগের বিষয়টি মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়কে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশনের (এমএসিসি) প্রধান লাথেফা কোয়া যে পরামর্শ দিয়েছেন তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবেচনা করবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button