শিক্ষার আলো থেকে পিছিয়ে সাবেক ছিটমহলগুলো

অবরুদ্ধ জীবন থেকে মুক্তি মিললেও শিক্ষার আলো থেকে এখনো পিছিয়ে, লালমনিরহাটের সাবেক ছিটমহলগুলো। সরকার এসব এলাকার রাস্তা-ঘাট, সেতু-কালভার্ট, মসজিদ-মন্দির, স্বাস্থ্যসেবা ও বিদ্যুতের ব্যাপক উন্নয়ন করলেও, শিক্ষার ক্ষেত্রে এখনো নেয়নি ফলপ্রসু পদক্ষেপ।
আর স্থানীয় উদ্যোগে ১০টি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় গড়ে তুললেও, সরকারী সহযোগীতা না থাকায় এসবের অবস্থাও নাজুক।
২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের মধ্যদিয়ে অবরুদ্ধ জীবনের মুক্তি মেলে ছিটমহলবাসীর। লালমসনিরহাটের ৫৯টি সাবেক ছিটমহলের মধ্যে, ৫৫টি পাটগ্রাম উপজেলায়। এ এলাকায় শিক্ষার আলো জ্বালাতে স্থানীয় উদ্যোগে গড়ে ওঠে ১০টি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।
সরকারী সহযোগিতা না থাকায় এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ভাগ্যে জুটছে না স্কুল ফিডিং বিস্কিট, মিলছে না সরকারী উপবৃত্তির টাকা। আরও সমস্যার কথা জানান বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও। হতভাগ্য এসব মানুষের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন, সাবেক ছিটমহল বিনিময় নেতা নজরুল ইসলাম।
তবে অচিরেই ছিটমহলেগুলোতে সরকারিভাবে শিক্ষার আলো বিস্তারে কাজ করা হবে বলে জানান, লালমনিরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম নবী। শুধু আশ্বাস নয়, কার্যকর পদক্ষেপ চান, সাবেক ছিটমহলবাসী।
ইলিয়াস বসুনিয়া, লালমনিরহাট প্রতিনিধি



