ভোলা নৌ-রুটে নদীর বুকে অসংখ্য ডুবোচর

ভোলার অভ্যন্তরীণ নৌ-রুটের নদীর বুকে অসংখ্য ডুবোচর জেগে ওঠায় লঞ্চ ও ফেরিসহ নৌযান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। নাব্যতা সংকটের কারণে ভোলা-ঢাকা, ঢাকা-মনপুরা-হাতিয়া, ভোলা-বরিশাল ও ভোলা-লক্ষ্মীপুরসহ অন্তত ২০ রুটে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে নৌযান।
এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন এ রুটে চলাচলকারী হাজারও যাত্রী ও লঞ্চ শ্রমিকরা। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নাব্যতা রোধে বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ থেকে ড্রেজিং করা হচ্ছে।
ভোলার সাথে রাজধানীসহ সারাদেশের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম নৌপথ। জেলার ২০টি রুটে প্রতিদিন ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে অর্ধশতাধিক লঞ্চ চলাচল করছে। এখান থেকে হাজার হাজার যাত্রী লঞ্চে করে দেশের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করে থাকে। কিন্তু শীতের শুরুতে নদীতে অসংখ্য ডুবোচর জেগে ওঠায়, নৌযান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে গন্তব্য যেতে পারছে না নৌযানগুলো।
ভোলার খাল, কালিগঞ্জ, দাড়োগার খাল, দৌলতখান, মনপুরা ও হাতিয়া রুটের বদনার চরসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে অভ্যন্তরীণ রুটে নদীতে নাব্যতা সংকটের কারনে হুমকির মুখে পড়েছে এ অঞ্চলের নৌপথ।
এ ব্যাপারে ভোলা নৌ-বন্দরের সহকারী পরিচালক মো.কামরুজ্জামান বলেন, ইতোমধ্যে নৌ পথে নাব্যতা রোধে বিআইডব্লিউটিএ ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু করেছে। অচিরেই তা স্বাভাবিক হবে।
প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুমে নদীর তলদেশে পলি জমে ডুবচরের সৃষ্টি হচ্ছে। এর বিপরিতে কমবেশি ড্রেজিং করছে বিআইডব্লিউটিএ। তবে হচ্ছে না স্থায়ী কোন সমাধান।
জুয়েল সাহা, ভোলা প্রতিনিধি



