পানির চাহিদা পুরণে রাসেল পানি শোধনাগার প্রকল্প

চট্টগ্রামে নগরবাসীর পানির চাহিদা পুরণে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে শেখ রাসেল পানি শোধনাগার সরবরাহ প্রকল্প। রোববার সকাল ১০টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এটির উদ্বোধন করবেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০১৮ সালের নভেম্বরে শেখ রাসেল পানি শোধনাগার প্রকল্পটি চালু করে চট্টগ্রাম ওয়াসা। প্রকল্পটি চালুর পর পানির উৎপাদন বাড়ে দৈনিক আরো ৯ কোটি লিটার।
বিশ্বব্যাংক, বাংলাদেশ সরকার ও চট্টগ্রাম ওয়াসার যৌথ অর্থায়নে চট্টগ্রাম- কাপ্তাই সড়কের হাটহাজারীর মদুনাঘাট এলাকায় বাস্তবায়ন করা হয়, শেখ রাসেল পানি শোধনাগার প্রকল্পটি। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক ১ হাজার ৪শ ৯৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা, বাংলাদেশ সরকার ৩শ’ ৭০ কোটি ৩৭ লাখ ও চট্টগ্রাম ওয়াসা ২২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা অর্থায়ন করে।
প্রকল্পের অধীনে বসানো হয়েছে ১শ’ ২৬ কিলোমিটার ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন পাইপলাইন। হালদা নদী থেকে দৈনিক ১০ কোটি লিটার অপরিশোধিত পানি উত্তোলনের পর অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে তা চারধাপে পরিশোধন করে নগরীতে সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানান, চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম।
এদিকে পানির অপচয় রোধে সাড়ে সাতশত কিলোমিটার নতুন পাইপ লাইন বসানোর কাজ চলছে বলে জানান, ওয়াসার বোর্ড সদস্য মহসিন কাজী ।
নগরবাসীর মোট চাহিদার ৯৫ শতাংশ পানি সরবরাহ করছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। ২০২১ সালের পর চট্টগ্রাম ওয়াসা পূর্ণ শক্তিতে পানি সরবরাহ করতে সক্ষম হবে বলে জানান, ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ।
বর্তমানে, প্রতি এক হাজার লিটার পানির উৎপাদন খরচ হচ্ছে ১৬ টাকা দরে। কিন্তু ২০২২ সালের পর প্রকল্পের ঋনের টাকা সুদসহ দাতা দেশগুলোকে পরিশোধ করা হবে তখন উৎপাদন খরচের পরিমাণ ২৬ থেকে ২৮ টাকা পর্যন্ত হবে বলে জানায় ওয়াসা। তাই, ভবিষ্যতে পানির দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে সংস্থাটির ।
আবু মুছা জীবন, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি



