বগুড়ায় মরিচের বাম্পার ফলন

চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বগুড়ার সোনাতলা ও সারিয়াকান্দি উপজেলার চরাঞ্চলে মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। পাশাপাশি দাম ভালো পাওয়ায় হাসি ফুটেছে এ অঞ্চলের কৃষকের মুখে। এতে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে অনেক বেকার নারীদের। তবে কৃষি অফিসারের সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ প্রান্তিক চাষিদের।
বগুড়ার ১২টি উপজেলার মধ্যে সোনাতলা ও সারিয়াকান্দির চরাঞ্চলে মরিচ চাষ বেশি হয়। এছাড়াও গাবতলী, শাজাহানপুর ও নন্দীগ্রামে এ চাষ হয়ে থাকে। প্রতি হেক্টর জমিতে দেড় মেট্রিকটন করে ফলন হয়। এবার মরিচের বাম্পার ফলন হলেও, কিছু কিছু জমিতে রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে।
দেশীয় মরিচের চেয়ে ডাইব্রিড মরিচ চাষে একদিকে বেশি ফলন পাওয়া যায়, অন্যদিকে গাছের স্থায়ীত্বকালও বেশি। তাই হাইব্রিড মরিচ চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। তবে, তাদের অভিযোগ, কোন কৃষি কর্মকর্তা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে পরামর্শ না দেয়ায় সঠিক পরিচর্যা হচ্ছে না।
মরিচের কিছু রোগের প্রাদুভাব দেখা গেছে জানিয়ে, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ আবুল কাশেম আযাদ বলেন, চাষিদের প্রতিনিয়ত প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
চরাঞ্চরের বানভাসী মানুষদের বছরের একটি মাত্র অর্থকরি ফসল মরিচ। যার ওপর নির্ভরশীল বছরের ৮টি মাস। তাই কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠে গিয়ে সঠিক পরামর্শ ও সরকারীভাবে বীজ, সার ও ঔষধ পেলে, আরও ভালো ফসল ফলানো সম্ভব বলে মনে করেন, এ এলাকার চাষিরা।
তানিয়া ইসলাম, বগুড়া থেকে



