ঢালিউডবিনোদন

বিবাহবিচ্ছেদের কারণ জানালেন শাবনূর

শুধু বিবাহবিচ্ছেদ নয়, চাঞ্চল্যকর কিছু ঘটনা ও তালাকের সিদ্ধান্তের পেছনে থাকা গোপন কারণগুলো ফাঁস করলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূর নিজেই। সাবেক স্বামী অনিকের বিয়ের বিষয়েও জানালেন শাবনূর।

অস্ট্রেলিয়া থেকে শাবনূর সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বিয়ের পর থেকে অনিকের নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও আমার ওপর তার অত্যাচার-অবিচারের বিষয়টি কাউকে জানানোর প্রয়োজন মনে করিনি কখনো। কারণ এটি ছিল একান্তই আমাদের পারিবারিক বিষয়। যখন পরিস্থিতি সহ্যের বাইরে চলে যায় তখন অপারগ হয়ে তাকে তালাক দিতে বাধ্য হই।

অনিক শাবনূরকে অনেকটা প্রতারণা করেই বিয়ে করেছিলেন বলে অভিযোগ করেন শাবনূর। তার ভাষায়, আমি অনিককেও তো বিয়ে করতে চাইনি। আমরা ২০০৮ সালে ‘বধূ তুমি কার’ ছবিতে কাজ করতে গেলে সে নানাভাবে ব্ল্যাকমেইল করে আমাকে বিয়ে করে।

ঢালিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী বলেন, তালাকের বিষয়টিও মিডিয়া, চলচ্চিত্র বা অন্য কাউকে জানাইনি। এমনকি আমার আইনজীবীকেও বিষয়টি গোপন রাখতে বলেছিলাম। শেষ পর্যন্ত যেভাবেই হোক খবরটি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার পরও মিডিয়া বা অন্য কারও কাছে অনীকের অন্যায় অপরাধের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরিনি। শুধু বলেছি, আমাদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় তাকে তালাক দিতে বাধ্য হয়েছি। কিন্তু অনিকই শেষ পর্যন্ত আমাকে মুখ খুলতে বাধ্য করেছে।

শাবনূর আরও বললেন, অনিকের নতুন পাসপোর্টে স্ত্রী হিসেবে নাম রয়েছে ‘আয়েশা আক্তার’ নামের এক মহিলার। এছাড়াও শাবনূরের সঙ্গে প্রতারণা করে বিয়ে, অর্থের প্রতি লোভ, সংসারে নির্যাতন, সন্তানের প্রতি উদাসীনতা, নতুন আরেকজনকে বিয়ে করাসহ অনেকগুলো অভিযোগ উপস্থাপন করেছেন এই অভিনেত্রী।

আপাতত তার পাসপোর্টের একটি কাগজ প্রকাশ করলাম। এরপরও যদি সে মাফ না চায় তাহলে সে নতুন বউকে নিয়ে দেশ-বিদেশ যে ঘুরে বেড়িয়েছে সেসব ছবি আছে আমার কাছে। সব ফাঁস করে দেব। সবচেয়ে বড় কথা হলো, অনিকের নতুন পাসপোর্টের কপিও আমার কাছে।

সেখানে স্ত্রী হিসেবে আমি নই, আছে আয়েশা আক্তারের নাম। বিয়ে না করলে তার নাম ব্যবহার করল কেন? যেসব হোটেলে তারা ছিল, সেখানকার সবরকম তথ্য সংগ্রহ করে তারপর তার বিয়ের কথা ফাঁস করেছি। এখন তার কথামতো তাকে আমার কাছে মাফ চাইতে হবে। না হলে তার অবৈধ কাজকর্মের অবিশ্বাস্য সব প্রমাণ ফাঁস করে দেব।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close