অন্যান্যবাংলাদেশ

প্রণোদনার দাবি ক্যাবল অপারেটর এসোসিয়েশনের

করোনায় যখন গৃহবন্দী জনজীবন, তখন কোটি কোটি মানুষের চোখ টেলিভিশনের পর্দায়। অথচ যারা ঘরে ঘরে পৌছে দিচ্ছেন এ সেবা তাদের ভবিষ্যত আজ অনিশ্চিত। করোনায় বিশ্ব পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন খবরাখবর মুহুর্তে জানান দিতে কেবল অপারেটরের মত গুরুত্বপূর্ণ এই খাতটি নেই জরুরী সেবার আওতায়। তার ওপর চলতি মাসে গ্রাহকদের কাছ থেকে সাবস্ক্রিপশন ফিস পাবেন কিনা তা নিয়েও রয়েছে সংশয়।

করোনার থাবায় থমকে গেছে গোটা বিশ্ব। তবে থেমে নেই কেবল অপারেটরদের সার্ভার। সদর্পেই চলছে তাদের পরিষেবা। এ অবস্থায়, সরকারের ঘোষিত প্রণোদনার একটি অংশ এই খাতে রাখার দাবি জানিয়েছে কেবল অপারেটর সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতারা।

গেলো ২৫ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর কেবল টিভি সংযোগে বেড়ে গেছে গ্রাহকের চাহিদা। বেশিরভাগ মানুষই এখন ঘরে বসে বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে সময় কাটাচ্ছেন টিভি দেখে। এমনকি শিক্ষার্থীরাও বাসায় বসে ক্লাস করছেন ক্যাবল টিভির মাধ্যমে।

অন্যদিকে পরিবারের বাকি সদস্যরা সময় কাটাতে কেবল টিভি সংযোগের ওপরে পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে গেছেন। ফলে বেড়েছে গ্রাহক চাহিদা। সিঙ্ক: কিন্তু করোনা পরিস্থিতি দিন দিন প্রকট হওয়ায় অমানিশার ঘোর অন্ধকার নেমে এসেছে এই খাতে জড়িত হাজারো কর্মীর জীবনে।

চলতি মাসে গ্রাহকদের কাছ থেকে সাবস্ক্রিপশন ফিস পাবেন কিনা তা নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট সংশয়। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে কেবল টিভি সার্ভিস নিরবচ্ছিন্ন রাখতে খাতটিতে জরুরী পরিষেবা আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি বলে জানান, ক্যাবল অপারেটস এসোসিয়েশন (কোয়াব) এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আনোয়ার পারভেজ।

অজস্র তারের শত শত এই নেটওয়ার্ক, স্যাটেলাইটের তরঙ্গ এখান থেকেই পৌছে যাচ্ছে প্রতিটি ঘরে। যেখান থেকে লকডাউনে থাকা কোটি মানুষ পেয়ে যাচ্ছেন তথ্য সেবাসহ আধুনিক সকল বিনোদন। তাই সরকারের ঘোষিত প্রণোদনার একটি অংশ এই খাতের সাথে যুক্ত হলে কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা সম্ভব বলে দাবি সারাদেশের ক্যাবল ব্যবসায়ীদের।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close