দেশজুড়ে করোনায় সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে

বিশ্ব যখন করোনা পরিস্থিতি নিয়ে থমকে গেছে বিশ্বের সাথে পাল্লা দিয়ে বাংলাদেশেও বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যা। প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো সারাদেশের করোনা পরিস্তিতি।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার হরিদাশপুর এলাকায় করোনার উপসর্গ নিয়ে বাদল মন্ডল এক ব্যক্তি মারা গেছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার আসাদুজ্জামান হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মৃত ব্যক্তি গত ৭ দিন ধরে জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন।
বরিশালে গত ২৪ ঘন্টায় আরো দুইজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। গতকাল তাদের নমুনা পরীক্ষায় পজেটিভ রিপোর্ট আসে। এ নিয়ে জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ জনে। রিপোর্ট পাওয়ার পর তাদের বাড়ি লকডাউন করেছে জেলা প্রশাসন।
রাজশাহীতে চিকিৎসাধীন মুনীর গাজী নামে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। নিহত শিক্ষার্থী নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার মাধনগর গ্রামের আলম গাজীর ছেলে।
এদিকে, কুমিল্লার দাউদকান্দিতে করোনা ভাইরাস নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এ পর্যন্ত জেলায় করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩১ জন। এরমধ্যে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। ফরিদপুরে আরো দুইজনের শরীরে করোনার ভাইরাস পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এরমধ্যে একজনের বাড়ী নগরকান্দা উপজেলায় ডাঙ্গী ইউনিয়নে এবং অন্যজনের বাড়ী বোয়ালমারী উপজেলায়। এ নিয়ে জেলায় ৪ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থেকে যাওয়া চট্টগ্রামের হাসপতালে সিকিৎসাধীন অবস্থায় নিহত প্রতিবন্ধী নারী মমতাজ বেগমের শরীরে মিলেছে করোনার আলামত। এদিকে, সম্প্রতি নারায়নগঞ্জ থেকে কবির হাটে আসা এক যুবক নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় ৪২ বছরের এক নারীর করোনা সনাক্ত হয়েছে। গতকাল সন্ধায় সিভিল সার্জন ফজলুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
শেরপুরে দুই চিকিৎসক ও এক ওসিসহ নতুন করে ৬ জন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট ১৫ জন করোনা রোগী সনাক্ত হলো। এ ঘটনায় জেলা সিভিল সার্জন ডা. একেএম আনোয়ারুর রউফসহ জেলার ৩২ স্বাস্থ্যকর্মীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
টাঙ্গাইলে আরো একজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের নন্দপাড়া গ্রামের ২১ বছর বয়সী এক যুবকের করোনা আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান খান। এ নিয়ে টাঙ্গাইলে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০ এ দাঁড়ালো।



