অর্থনীতিবানিজ্য সংবাদ

সীমিত আকারে শিল্প কারখানা খুলে দিতে হবে : এফবিসিসিআই

স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে রপ্তানিমুখী শিল্পসহ মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ পর্যায়ক্রমে খুলে দেয়ার আহবান জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা ও অর্থনীতিবিদরা। শনিবার এফবিসিসিআই আয়োজিত এক আলোচনায় তারা এ মন্তব্য করেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, সারা পৃথিবী ঝুঁকির মধ্যে। বিভিন্ন দেশে তাদের প্রধান শিল্প খাত ধীরে ধীরে খুলে দিচ্ছে। চলমান অবস্থায় আমাদের অর্থনীতির কী পরিমাণ ক্ষতি হবে। আমাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি কতটুকু আছে। এসব বিষয় পর্যালোচনা করে অতি সতর্কতার সাথে কলকারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এফবিসিসিআই এর মাধ্যমে বিভিন্ন খাত পর্যালোচনা করে আমাদেরকেও পদক্ষেপ নিতে হবে। সেক্ষেত্রে তিনি এফবিসিসিআই-কে একটি গাইডলাইন তৈরি করে সরকারকে প্রদানের অনুরোধ জানান এই উপদেষ্টা।

সভায় উপস্থিত ব্যবসায়ী নেতা ও অর্থনীতিবিদরাতারা আরো বলেন, চীন, ভিয়েতনাম, ভারত, কম্বোডিয়ার মত প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলো এ মুহূর্তে তাদের রপ্তানিমুখী শিল্প খুলে দেবার বিষয়ে কী ধরনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তা পর্যালোচনা করে বাংলাদেশকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সেই সঙ্গে খাত ভিত্তিক বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে টাস্কফোর্স গঠন করে সিদ্ধান্ত নেবার উপর জোর দেন।

এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিমের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, একাত্তর টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী ও এডিটরস গিল্ডসের সভাপতি মোজাম্মেল বাবু, ডিবিসি টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক মন্জুরুল ইসলাম,

বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ড. রুবানা হক, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন, আবদুল মাতলুব আহমাদ, এ কে আজাদ, চট্টগ্রাম চেম্বারের প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম এবং বিকেএমইএ, ডিসিসিআইসহ নানা ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বারের নেতারা।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close