অন্যান্যবাংলাদেশ

করোনা: সংক্রমণের চতুর্থ ধাপে বাংলাদেশ

আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর বলেন, ‘আমরা করোনার চতুর্থ পর্যায়ে আছি। এটাকে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বলে। আমাদের দেশেও হয়তো মে মাসের শেষের দিকে বা মাঝামাঝি সময়ে একটা সংক্রমণ সংখ্যা বাড়তেও পারে যদি আমরা নিয়ম-কানুনগুলা না মানি।’ এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন  বিশেষজ্ঞরা।

দেশে করোনা সংক্রমণের ৫৩তম দিনে শনাক্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৬৬৭ জন। আর মারা গেছেন ১৬৮ জন। ৫৩তম দিনে বাংলাদেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থা ছিল খুবই আশাব্যঞ্জক। একই সময় পর যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১২শ ৪৮ জন। আর মারা যায় ৩৮ জন।

ঠিক এক মাসের ব্যবধানে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪ লাখ ৬০ হাজার ২৫২ জন। আর মৃতের সংখ্যা ২২ হাজার ৩৮ জন। এরপর বাড়তে থাকে লাফিয়ে লাফিয়ে। পরের ১৯ দিনে আক্রান্তের সংখ্যা দিগুণ হয়ে যায় (৮ লাখ ৫৫ হাজার ১২৭ জন)। আর মৃত্যুর সংখ্যা হয়ে যায় প্রায় তিনগুণ (৬১ হাজার ৬৫৬ জন)। দেরিতে লকডাউন আর সামাজিক দূরত্ব না মানায় যুক্তরাষ্ট্রে এই কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রিদওয়ানউর রহমান বলেন, ‘আমরা এখন উপরের দিকে উঠছি, যেহেতু আমরা ধরে রাখছি তাই সময় লাগছে। দুই মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে যদি এই মুহুর্তে লকডাউন তুলে দেয়া হয় হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হবে। হাজার হাজার মৃত্যু যদি আমরা একসেপ্ট করতে চাই সব খুলে দেন।’

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close