অন্যান্যআন্তর্জাতিক

বিশ্বব্যাপী প্রাণহানি ২ লাখ ৫৮ হাজার ছাড়িয়েছে

বুধবার পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২ লাখ ৫৮ হাজার ৩৩৮ জন। এছাড়া এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৩৭ লাখ ২৭ হাজার ৮০২ জনের শরীরে। ছড়িয়েছে পড়েছে ২১০টি দেশ ও অঞ্চলে। আক্রান্তদের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার এ সংখ্যা নিশ্চিত করেছে।
আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১২ লাখ ৪২ হাজার ৩৪৭ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ২২ লাখ ২৭ হাজার ১১৭ জন। এদের মধ্যে ২১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৬৯ জনের শরীরে মৃদু সংক্রমণ থাকলেও ৪৯ হাজার ২৪৮ জনের অবস্থা গুরুতর।
ভাইরাসটির আক্রমণে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা প্রভাবশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্রের। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৭২ হাজার ২৭১ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ১২ লাখ ৩৭ হাজার ৬৩৩ জন।
মৃতের সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের পরের অবস্থানে উঠে এসেছে যুক্তরাজ্য। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২৯ হাজার ৪২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯০ জন।
মৃত্যুর তালিকার তিন নম্বরে রয়েছে ইউরোপের দেশ ইতালি। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২৯ হাজার ৩১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ১৩ হাজার ১৩ জন।
এর পরের অবস্থানেই রয়েছে স্পেন। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২৫ হাজার ৬১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে অবশ্য ২য় অবস্থানে রয়েছে এ দেশটি। এখানে ২ লাখ ৫০ হাজার ৫৬১ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
মৃত্যুর তালিকায় এর পরের অবস্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২৫ হাজার ৫১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৫১ জন।
এদিকে জার্মানিতে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৭ জন মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৯৯৩ জনের। তুরস্কে ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এখানে মৃত্যু হয়েছে সাড়ে ৩ হাজারের বেশি মানুষের। রাশিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৭০ জন, মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৪৫১ জনের। কানাডায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬২ হাজার ৪৬ জন, মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ৪৩ জনের।
ভাইরাসটি প্রথম শনাক্ত হয় চীনে। সেখানে এ ভাইরাসে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৮২ হাজার ৮৮৩ জন এবং মারা গেছেন ৪ হাজার ৬৩৩ জন।
এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে ইরানে। এখানে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৯৯ হাজার ৯৭০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৩৪০ জনের।
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৯২৯ জনের শরীরে। এদের মধ্যে মারা গেছেন ১৮৩ জন এবং সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১৪০৩ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৯ হাজার ৩৪৩ জন।
ডিসেম্বরে চীনে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেলেও বাংলাদেশে ভাইরাসটি শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। ওইদিন তিন জন করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা অনেকটাই সমান্তরাল ছিল। কিন্তু এরপর থেকে হুট করেই বাড়তে থাকে রোগীর সংখ্যা।
তবে ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য মার্চেই ব্যবস্থা নেয় সরকার। বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। পঞ্চম দফায় বাড়িয়ে সেই ছুটি করা হয় ৫ মে পর্যন্ত। সর্বশেষ দফায় ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয় সাধারণ এ ছুটি।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close