অন্যান্যবাংলাদেশ

করোনার জিনোম সিকোয়েন্স উদঘাটন করলো বাবা-মেয়ে

বাংলাদেশে করোনার জিনোম সিকোয়েন্স করতে পারায়, ভাইরাসটির গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে আশাবাদি গবেষকরা। সেক্ষেত্রে রোগটির প্রতিকারের উপায় খুঁজে পাওয়া হবে, কেবল সময়ের ব্যাপার।

সম্প্রতি ঢাকার, চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের দুজন গবেষক ভাইরাসটির জিনোম সিকোয়েন্স সম্পন্ন করেছেন। বাবা-মেয়ের এ সফলতা দেশে করোনার জীন নিয়ে বিস্তৃত গবেষণারও দ্বার খুলে দিয়েছে।

চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হওয়া মহামারি এই সংক্রমণ রোগ, সময়ের পাখায় ভর করে ছড়িয়ে পড়েছে সারাবিশ্বে। প্রতিনিয়তই বাড়ছে ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা, রোজ ভারি হচ্ছে মৃত্যুর পাল্লা। বাংলাদেশে কারো শরীরে করোনা প্রথম শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। সেই থেকে বেড়েছে আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা।

বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের রোগটি নিরাময়ে, প্রাণপণ গবেষণা করে যাচ্ছেন তাবত বিজ্ঞানীরা। বিভিন্ন উপসর্গ, উপাত্ত ধরে চলছে করোনার যুঁতসই প্রতিষেধক উদ্ভাবনের চেষ্টা। এরইমধ্যে আশার আলো দেখিয়ে, ভাইরাসটির জিনোম সিকোয়েন্স বের করতে সক্ষম হয় দেশিয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন।

গবেষেক ডাঃ সমীর সাহা ও তার মেয়ে ডাঃ সেজুঁতি সাহার নিরলস অনুসন্ধানে বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়েছেন করোনার গতি-প্রকৃতি। বাংলাদেশের ভাইরাসটির আচরণের সঙ্গে তাইওয়ান, সুইডেন, শ্রীলঙ্কা ও রাশিয়ার সংক্রমণের সাদৃশ্য রয়েছে।

ডা. সমীররের দাবি, এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস ৯ বার মিউটেশন বা রূপ পাল্টেছে। ভাইরাসটির গতি-প্রকৃতি সিকোয়েন্স করতে পারায়, আগামীতে এর জীন রহস্য উন্মোচনে বিস্তৃত গবেষণারও পথ খুললো। এর ফলে করোনার প্রতিকারের উপায় খুঁজে বের করারও, নতুন আশা জেগেছে। রোগটির কার্যকর প্রতিষেধকের পথ হয়তো বেশি দূরে নয়, বলে মনে করেন এই গবেষক।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close