দেশবাংলা

ভূমিতে আঘাতের আগেই শক্তি খোয়ালো আম্পান

ভূমিতে আঘাতের আগেই কিছুটা শক্তি খোয়ালো ঘূর্ণিঝড় আম্পান। এতে সুপার সাইক্লোন থেকে পরিণত হয়েছে, একট্রিম সিভিয়ার সাইক্লোনে। তবে, এখনও যথেষ্ট ভয়ংকর আকারে রয়েছে ঘূর্ণিঝড়টি। প্রায় ১৫ লাখ মানুষকে নেয়া হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্রে।

তাই মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে, আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৯ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সুন্দরবনসহ বিভিন্ন স্থানে বাড়তে শুরু করেছে জোয়ারের পানি। আর, সর্বক্ষণ দুর্যোগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন প্রধানমন্ত্রী।

কয়েকদিন ধরেই বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয় আম্পান। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে বুধবার সন্ধ্যানাগাদ দেশের উপকূলীয় এলাকায় অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। ঝড়ের প্রভাবে উপকূল এলাকায় সকাল থেকে মুশল ধারে বৃষ্টির সাথে জড়ো হাওয়া বইছে।

বাগেরহাট, ভোলা, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন স্থানেই বাড়তে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি। আর আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১০নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারির পর আতঙ্কে বেড়েছে কয়েকগুণ। এরই মধ্যে সাইক্লোন শেল্টার নেয়া হয়েছে, সাড়ে ১৫ লাখের বেশি মানুষকে। উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ সহায়তার জন্য প্রস্তুত আছে সেনা, নৌবাহিনী, পুলিশ ও কোস্টগার্ড।

তবে, সবশেষ তথ্য অনুযায়ী ভূমিতে আঘাতের আগেই কিছুটা শক্তি হারিয়েছে ঘূর্ণিঝড় আম্পান। উপকূল ও চরের নিম্নাঞ্চলে ১০-১৫ ফুটের বেশি উঁচু জলোচ্ছ্বাসের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। চট্টগ্রামে সুপার সাইক্লোন আমফানের তান্ডব থেকে বাঁচাতে উপকুলের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।

নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্নস্থানে বসবাসকারীদের পাহাড় ছাড়তে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আম্পান আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কেটেছে উপকূলীয় ভোলা, চাঁদপুর, কক্সবাজার সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন জেলার মানুষের। করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও রাতে আশ্রয়কেন্দ্রে অনেকে এক সাথে রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close