বিভিন্ন এলাকায় ৮-১০ ফুট জলোচ্ছ্বাস, চার জনের মৃত্যু

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে ভোলায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া পটুয়াখালীতে আরো দুজনসহ মোট চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে, সুপার সাইক্লোন আম্পানের প্রভাবে দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় জলোচ্ছ্বাস হয়েছে। এ সময় ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার। জলোচ্ছ্বাস হওয়া এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে, সাতক্ষীরা, মোংলা, হাতীয়া ও বিভিন্ন চর এলাকা। এসব এলাকায় ৮ থেকে ১০ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাস হয়েছে। মূল আঘাত পশ্চিমবঙ্গমুখী হওয়ায় দেশে বেশি প্রভাব পড়েনি।
অন্যদিকে সুপার সাইক্লোন আম্পান শুরুতেই উত্তর চব্বিশ পরগনায় ৫০০০ কাঁচা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। কলকাতায় ১১০ কিলোমিটার বেগে কলকাতায় আছড়ে পড়েছে ভয়ংকর আম্পান। মিনিটে মিনিট ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮ এর খবরে বলা হয়েছে, মারাত্মক জোরে হাওয়া, বৃষ্টিতে নাজেহাল কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা ও মেদিনীপুর। ইতোমধ্যেই শহরের বহু রাস্তায় গাছপালা ভেঙে পড়েছে। তুফান হাওয়ায় তটস্থ ঘরবন্দি মানুষ৷



