দেশবাংলা

১৬ ফুটের রাস্তা এখন ৬ ফুট!

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ ইউনিয়নের ধুলিয়াপাড়া, সাতরা গ্রামসহ একাধিক গ্রামবাসীর চলাচলে রাস্তাটি রীতিমত এখন মরণফাঁদ। এই গ্রামের একমাত্র চলাচলের সড়কটি বেহাল দশা। প্রতিনিয়তই ঘটছে রিক্সা, ভ্যানসহ অন্যান্য পরিবহন উল্টে মারাত্বক দুর্ঘটনা।

চলাচলের অনুপযোগী রাস্তাটি সংস্করণ ও পাকা করণের জন্য উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে দীর্ঘদিন ধরে জোর দাবি  জানিয়ে আসছে এলাকাবাসী। কতৃপক্ষ তিন বছর পূর্বে রাস্তাটি চলাচলের জন্য উপযোগী করে দেওয়ার আশ্বাস দিলেও, এখনও দৃশ্যমান পদক্ষেপ চোখে পড়েনি।

সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা প্রতিদিন রাস্তা দিয়ে পায়ে হেটে থানার হাট বাজার আসা-যাওয়া করে থাকেন। এবং সোনাইমুড়ী উপজেলাসহ নোয়াখালী সদরে যাতায়াত করে। যাতায়াত ব্যাবস্থা খারাপ থাকায় মানুষের অসুখ বিসুখ হলে চিকিৎসা নিতে বিড়াম্বনার শিকার হতে হয়। সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তা কাদায় ভরে যায়।

কোন রিক্সা ভ্যান চলাচল করতে পারে না। এমনকি ছোট ছোট কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়া লেখার জন্য একমাত্র স্কুলে যাতায়াত করতেও নানা অসুবিধা হচ্ছে। ধুলিয়াপাড়া সাতরা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, এখানে একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছয়টি মসজিদ ও একটি মাদ্রাসা রয়েছে। এ বিদ্যালয়ে স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র। ভোট কেন্দ্রে মালামাল আনা-নেওয়া সহ নানা রকম কাজ করতে অনেক ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়।

সাতরা গ্রামে থেকে ধুলিয়াপাড়া হাজি বাড়ি পর্যন্ত থেকে এক কিলোমিটার রাস্তাটি দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্করণ ও পাকাকরণ দীর্ঘদিনের কষ্ট লাঘব করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। সাতরা গ্রামের রিক্সাচালক সাদ্দাম হোসেন বলেন, আগের মত এখন আর যাত্রী পাইনা, রাস্তার খারাপ অবস্থার কারণে যাত্রীরা রিক্সায় উঠে না।

রাস্তা দিয়ে দুটি রিক্সা আসা-যাওয়া করতে পারেনা। বৃষ্টি হলে তো রিক্সা বাইরে করি না। অনেক কষ্ট করে সংসার চালিয়ে যেতে হয় আমাদেরকে। আমরা চাই দ্রুত রাস্তার কাজ করা হোক। আমাদের যাতায়াতের ব্যবস্থা নিশ্চিত হোক।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close