দেশবাংলা

ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিতে দিশেহারা কৃষকেরা। ক্ষতির মুখে পড়েছেন আম লিচুসহ বিভিন্ন ফল বাগানের মালিকেরা। জলোচ্ছ্বাসে মাছের ঘের ভেসে যাওয়ায় চরম লোকসানের মুখে মৎস্য চাষিরা। করোনা সংকটের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

রাজশাহী নওগাঁ বগুড়াসহ দেশের উত্তরের জেলাগুলোতে এখন বোরোধান কাটার ভরা মৌসুম। ঘরে তুলতে বাকি বেশিরভাগ ফলন। করোনার ভয়াল অবস্থার মধ্যে এসব মানুষের জীবনে মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে এসেছিল ঘূর্ণিঝড় আম্পান। আর দুই একদিনের মধ্যে যেই উঠোনে ধান মাড়াইয়ের কাজ করার কথা সেখানে এখন থইথই পানি।

রাজবাড়ী সদর উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানান, অবিলম্বে পানি নিষ্কাসনের ব্যবস্থা না করা হলে চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন তারা। সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গেছে কয়েক হাজার মাছের ঘের ও পুকুর। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাণ্ডবে মিলেমিশে একাকার বাগেরহাটের বেশিরভাগের মাছের ঘের। ঘুরে দাঁড়াতে সরকারের সহায়তা চেয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত মালিকরা।

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাণ্ডবে ঝরে পড়ে পাবনা সদর, ঈশ্বরদী,আটঘড়িয়াসহ ৯টি উপজেলার প্রায় এক তৃতীয়াংশ লিচু। ঝড়ে গেছে ২০ শতাংশ আম। লন্ড ভন্ড হয়ে গেছে প্রায় ১০ শতাংশ জমির শাক সবজী ও ২৫ শতাংশ জমির কলা ও পেপে বাগান। এতে শুধু বাগান মালিকরাই নন, আগাম বিনিয়োগ করে ব্যাপারীরাও দিশেহারা।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, জেলায় এ বছর সাড়ে ৪ হাজার হেক্টর বাগানে লিচুর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৬ হাজার মেট্রিক টন। যার বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে সাতশো কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close