অন্য বছরের তুলনায় একেবারেই ভিন্নভাবে ঈদ উদযাপন

করোনায় স্থবির হয়ে যাওয়া সময়ে এবারের ঈদ এসেছে অন্য বছরের তুলনায় একেবারেই ভিন্নভাবে। ঈদ যেখানে মানুষকে কাছে টানে, এবারের বাস্তবতা তার সম্পূর্ণ বিপরীত। এমনকি, দুরত্ব ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হলো কি না, তা নিয়েই সবার উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। নেই কোন উৎসবের আমেজ। সরকারের পক্ষ থেকে রয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরে বসে ঈদ উদযাপনের নির্দেশনা।
গাছে গাছে সবুজ পাতার ফাঁকে উকি দিচ্ছে বর্ষার কদম ফুল। কান পেতে শোনা যায় পাখির কিচিরমিচির ডাক। ঢাকার যান্ত্রিক জীবনে এমন সুন্দর পরিবেশ সচরাচর চোখেও পড়েনা। অথচ গত কয়েকমাস ধরে ক্রমশই অজানা এক অন্ধকারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে পৃথিবী। চিরচেনা ঈদের জামাত, কোলাকুলি, আত্মীয়-বন্ধুর বাড়ি বেড়াতে যাওয়া, সালামি সবকিছুই অনুপস্থিত এবারের ঈদে। অন্যরকম এই ঈদে অজানা এক আতংক যেন সবাইকে তাড়া করে ফিরছে।
বাড়িতে সাদামাটা আয়োজন, নেই অতিথি আপ্যায়নের তোড়জোড়। তাই পরিবারের সদস্যের নিয়ে একটু বাড়তি আয়োজন ছিল খেটে খাওয়া দিন মজুরদের একমুঠো খাবার তুলে দেয়ার। বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে বিরাজ করছে ভুতুড়ে পরিবেশ। অথচ বছরের এই দিনে লাখো মানুষের ঢল সামাল দিতে ব্যতিব্যস্ত থাকতে হয় কর্তৃপক্ষকে।
এই দুঃসময়ে সব প্রতিকূলতাকে পাশ কাটিয়ে, নিয়মের মধ্যে থেকেও ঈদ আয়োজন করতে পারাকে অন্যরকম অনুভূতি মনে করেন কেউ কেউ।এবারের কাছের মানুষগুলোও দূরে থাকছে। তবে দূর থেকেও প্রিয় মানুষের কাছে থাকাটাই যেন এবারের শিক্ষা।
বাংলা টিভি/রাসেল



