
একাদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন বুধবার (১০ জুন) বিকেলে শুরু হচ্ছে। বিকেল ৫টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। করোনা মহামারির বর্তমান পরিস্থিতিতে সংসদ সচিবালয় থেকে এবার সম্পূর্ণ নতুনভাবে এমনকি অনেক ক্ষেত্রে বিধি নিষেধ ও কড়াকড়ি আরোপ করে বাজেট অধিবেশন পরিচালিত হবে।
এরমধ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের সংসদে না গিয়ে সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন থেকে বাজেট অধিবেশনের সংবাদ সংগ্রহ করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিবেচনায় বাজেট উত্থাপনের দিন বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গকে বাজেট প্রত্যক্ষ করার আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার বাজেট অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের উপস্থিতিও সীমিত করা হয়েছে। ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে তালিকা করে ৮০ থেকে ৯০ জনকে অধিবেশনে যোগদানের জন্য বলা হয়েছে। এরইমধ্যে তালিকা করে হুইপদের পক্ষ থেকে ওই সব সংসদ সদস্যকে বৈঠকে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যারা একটু বয়স্ক সংসদ সদস্য তাদের সংসদে আসতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
অধিবেশন পরিচালনার জন্য সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আসাও সীমিত করা হয়েছে। শুধুমাত্র যাদের প্রয়োজন হবে তারাই আসবেন। আর যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনা পজিটিভ তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে।
করোনা সংক্রমণ রোধে সংসদে আসন বিন্যাসেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর আশপাশের বেশ কয়েকটি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে। একইভাবে অন্যদের আসনও ফাঁকা রেখে বিন্যাস করা হয়েছে। সংসদে যোগদানকারী সংসদ সদস্যদের অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করতে হবে।
প্রত্যেকের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। এছাড়া টানেলের ভিতর স্থাপন করা জীবাণুমক্তকরণ চেম্বারের ভেতর দিয়ে সব সংসদ সদস্য ও সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রবেশ করতে হবে।
এছাড়া করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার বাজেট অধিবেশন খুবই সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। জানা গেছে ১২ কার্যদিবস চলবে এবারের অধিবেশন। এরইমধ্যে বাজেট অধিবেশন নিয়ে সংসদ সচিবালয় একটি সূচি তৈরি করা হয়েছে।



