জনদুর্ভোগদেশবাংলা

মধুমতি নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার  বিভিন্ন স্থাপনা  হুমকির মুখে

 

মধুমতি নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ও গোপালপুর ইউনিয়নের শতশত বসতবাড়ি,হাজার হাজার একর ফসলি জমি,স্কুল ও মসজিদসহ বিভিন্ন স্থাপনা  হুমকির মুখে পড়েছে। এরই মাঝে নদী গর্ভে চলে গেছে চলাচলের প্রধান পাকা সড়কটি, হাজারো একর ফসলী জমি, বাড়ি-ঘর, মসজিদ, স্কুলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে ভাঙ্গন রোধে খুব দ্রুত অস্থায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মধুমতি নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার দুটি ইউনিয়নের বাজরা,চর আজমপুর,চরডাঙ্গা,চাপুলিয়া,চরধানাইড়,শিকিপাড়া চাপুলিয়াসহ, প্রায় ১৫টি গ্রাম হুমকির মুখে পড়েছে। এরই মাঝে ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র পাকা সড়কটি নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে। একই সাথে নদী গর্ভে চলে গেছে গুচ্ছগ্রামের ১২৫টি বাড়ি,বাজরা পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদ,চরডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অনেক স্থাপনা।

চরম হুমকির মুখে রয়েছে বাজরা সারকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। গত বছরও এই এলাকার চার থেকে পাচঁশত বাড়ি ঘর নদী গর্ভে চলে গেছে। বিলিন হয়েছে হাজারো একর ফসলী জমি। ভাঙ্গন এলাকার মানুষ সব কিছু হারিয়ে, আজ যেন চাপা কান্নায় বোবা হয়ে আছেন। ভয়ে রয়েছেন ভাঙ্গন পারের অসহায় মানুষ।

ভাঙ্গন রোধে  দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করতে সরকারের কাছে দাবী জানিয়েছেন নদীপাড়ের মানুষ ।   ফরিদপুর জেলার মধুমতি নদীর ভাঙ্গন রোধে প্রকল্প তৈরির কাজ চলছে জানিয়ে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান,নদী ভাঙ্গন এলাকা নির্দিষ্ট করা হয়েছে, ভাঙ্গন রোধে অস্থায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঝুঁকিতে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোসহ, হাজারো গৃহহীনদের সহায় সম্পদ রক্ষায়, দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী ভাঙ্গন কবলিত মানুষগুলোর।

বাংলাটিভি/শহীদ

 

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close