দেশবাংলা

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি; খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে দুর্গতরা

দেশের বন্যা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হয়েছে। উত্তরাঞ্চলে নদ-নদীর পানি বেড়ে দ্বিতীয় দফা প্লাবিত হয়েছে বহু এলাকা। এদিকে পুর্বাঞ্চলে পাহাড়ী ঢলে তলিয়ে গেছে রাস্তা-ঘাট, বাড়িঘর ও ফসলের ক্ষেত। দুর্বিষহ দিন পার করছে এসব বানভাসি এলাকার মানুষ। অনেক স্থানে দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্যের সঙ্কট। ত্রান সহায়তার আশায় দুর্গতরা।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় তিস্তা ও ধরলার নদীর পানির তোড়ে তলিয়ে গেছে রাস্তা-ঘাট, ফসলের ক্ষেত। অনেক বাড়িঘরে এখন এক হাটু পানি। শুকনো খাবারে কোনরকম দিন পার করছে দুর্গত এলাকায় মানুষ।

সরকারিভাবে ত্রাণ সহায় বিতরণ চললেও, তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এছাড়া বানভাসিদের ঘরে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট রয়েছে। কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে জেলার ৯ উপজেলার ৫৬ ইউনিয়নের প্রায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ। অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে উঁচু সড়ক ও বাঁধে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে।

গত দুইদিনে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। যমুনার হার্ডপয়েন্ট এবং কাজিপুরে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দ্বিতীয়বার প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। জেলার ৭ উপজেলায় ৩০ টি ইউনিয়নের প্রায় ২ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

এদিকে, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় নেত্রকোনায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কলমাকান্দা উপজেলা। অন্তত লক্ষাধিক মানুষ বানভাসী। হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে কালনী ও কুশিয়ারার পানি কিছুটা কমেছে। তবে রাস্তাঘাটে এখনো পানির নিচে, উপজেলার অন্তত অর্ধশতাধিক গ্রামের মানুষ পানিবন্দী।

ডেস্ক রিপোর্ট, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button